বিজেপির ষষ্ঠ দিনের ‘জন আশীর্বাদ যাত্রা’য়ও অভাবনীয় সমর্থন জনতার
মানুযের সমর্থন না পেয়ে মাঝপথে ‘সময় পরিবর্তন যাত্রা’ শেষ করে পালিয়েছেন প্রদেশ কং সভাপতি গৌরব : অসম বিজেপি গুয়াহাটি, ৭ মাৰ্চ (হি.স.) : অসমবাসীর আশীর্বাদ ও সমর্থন কামনায় ভারতীয় জনতা পার্টির ‘জন আশীর্বাদ যাত্রা’র আজ ষষ্ঠ দিনেও উচ্ছ্বাসের সঙ্গে সমর্থন
জন আশীর্বাদ যাত্রায়ও শিশুর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্ৰী হিমন্তবিশ্ব শৰ্মা, সঙ্গে রয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. রণোজ পেগু (চিত্ৰ   ১)


প্ৰবীণদের অকুণ্ঠ আশীর্বাদ মুখ্যমন্ত্রীকে (চিত্ৰ ২)


উচ্ছ্বসিত জনতার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী (চিত্ৰ ৩)


জন আশীর্বাদ যাত্রার খণ্ড চিত্ৰ ৪


মানুযের সমর্থন না পেয়ে মাঝপথে ‘সময় পরিবর্তন যাত্রা’ শেষ করে পালিয়েছেন প্রদেশ কং সভাপতি গৌরব : অসম বিজেপি

গুয়াহাটি, ৭ মাৰ্চ (হি.স.) : অসমবাসীর আশীর্বাদ ও সমর্থন কামনায় ভারতীয় জনতা পার্টির ‘জন আশীর্বাদ যাত্রা’র আজ ষষ্ঠ দিনেও উচ্ছ্বাসের সঙ্গে সমর্থন জানাচ্ছেন জনতা। আজ শনিবার মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা এবং বিজেপির অসম প্রদেশ সভাপতি দিলীপ শইকিয়া সরুপথার, গোলাঘাট, খুমটাই এবং দেড়গাঁও বিধানসভা এলাকায় আয়োজিত ‘জন আশীর্বাদ যাত্রা’য় অংশগ্রহণ করেছেন।

অসম প্রদেশ বিজেপির জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র মানস শরণিয়া এক বিবৃতিতে বলেন, আজকের ‘জন আশীর্বাদ যাত্রা’য় মানুষের ব্যাপক উৎসাহ প্রমাণ করে যে বিজেপি দল, মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা এবং দিলীপ শইকিয়ার প্রতি মানুষের কতটা আস্থা রয়েছে। এই যাত্রা স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দিয়েছে, অসমকে সার্বিক উন্নয়নের নতুন গতিতে এগিয়ে নিতে বিজেপি দল ও সরকার সফল হয়েছে।

তিনি বলেন, যাত্রার ষষ্ঠ দিনে উন্নয়নের নতুন গতিকে আরও জোরদার করা হয়েছে। অসমের অন্যান্য অঞ্চলের মতো সরুপথার, গোলাঘাট, খুমটাই এবং দেড়গাঁও বিধানসভা এলাকায়ও পরিকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং নারী-পুরুষকে স্বনির্ভর করতে আর্থিক সহায়তা দিয়ে জনকল্যাণমূলক কাজ করা হয়েছে। বিজেপি সরকারের উন্নয়নমুখী চিন্তা ও জনকল্যাণমূলক কাজের কারণেই হাজার হাজার মানুষ এই যাত্রায় অংশ নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন।

বিবৃতিতে মুখপাত্র মানস শরণিয়ার অভিযোগ, বিজেপির এই উৎসবমুখর যাত্রার বিপরীতে কংগ্রেসের তথাকথিত ‘সময় পরিবর্তন যাত্রা’র যবনিকা ঘটিয়ে পালিয়ে গেছেন গৌরব গগৈ। তাঁর মতে, মানুষের সমর্থন না পাওয়ায়ই গৌরব গগৈ মাঝপথে যাত্রা শেষ করেছেন। তিনি বলেন, কংগ্রেসের ‘সময় পরিবর্তন যাত্রা’ সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে, তা ‘অভিশাপ যাত্রা’য় পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে লক্ষ লক্ষ মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করছে যে বিজেপির প্রতি মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা ক্রমেই বাড়ছে।

শরণিয়া আরও বলেন, কংগ্রেসের নির্বাচনী জোট ভোটের আগেই ভেঙে পড়েছে। অখিল গগৈয়ের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। গৌরব গগৈ যে জোটের কথা এতদিন বলছিলেন, তা এখন প্রহসনে পরিণত হয়েছে। মানসের অভিযোগ, কংগ্রেসের প্রায় ৮০০ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে সংগ্রহ করা হয়েছে। অথচ নিজে প্রার্থী হওয়ার আবেদন না করেও গৌরব গগৈ যোরহাট বিধানসভা আসনের জন্য টিকিট পেয়েছেন, কারণ তিনি প্রাক্তন কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে। এখন বহু আবেদনকারী টাকা ফেরত চাইছেন। সামাজিক মাধ্যমে জনৈক যুবক টাকা ফেরত না দিলে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, কংগ্রেসের পারিবারিক রাজনীতির উদাহরণ হলো প্রদ্যুৎ বরদলৈয়ের ছেলে এবং রকিবুল হুসেইনের ছেলের টিকিটপ্রাপ্তি।

প্রেস বিবৃতিতে শরণিয়া বলেন, অসম আন্দোলনের ৮৬০ জন শহিদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতাকারী কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন সারা অসম ছাত্র সংস্থা (আসু)-র প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক এবং অধুনা অসম জাতীয় পরিষদ (অজাপ)-এর সভাপতি লুরিনজ্যোতি গগৈ। তিনি অভিযোগ করেন, লুরিনজ্যোতি গগৈ আজ পর্যন্ত অসম আন্দোলনের শহিদদের স্মৃতিতে নির্মিত শহিদ স্মারকে গিয়ে শ্রদ্ধা জানাননি, যা শহিদদের প্রতি অসম্মান। এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়, তাঁর জাতীয়তাবাদ ভেজাল। অজাপ দল গঠন করে তিনি অসমীয়াদের জাতীয় আবেগ নিয়ে খেলছেন বলেও অভিযোগ করেছেন মানস শরণিয়া।

শরণিয়া বলেন, কংগ্রেস ভোটের সময় মানুষের সমর্থন নেয়, পরে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে। এর উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, পুরোনো নাওবৈচার বিধায়ক ভরত নরহ আজ পর্যন্ত তাঁর নির্বাচনী এলকায় যানি। গত দু-বছর ধরে তিনি বিদেশে আছেন বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। এটি ভোটারদের সঙ্গে কংগ্রেসের প্রতারণার উদাহরণ। মানস বলেন, তাই এবার অসমের মানুষ কংগ্রেসকে উচিত শিক্ষা দিয়ে তাদের পুরোপুরি রাজনৈতিকভাবে পরাজিত করবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande