অসমে ঘোষিত মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল, পাশের হার ৬৫.৬২ শতাংশ
- ফলাফলের হিসাবে ছেলেদের পাশের হার ৬৭.৭৮ শতাংশ, আর মেয়েদের ৬৩.৯৬ শতাংশ - ৮৫.৫৫ শতাংশ পাশ করে শীর্ষ স্থানে ডিমা হাসাও জেলা, সৰ্বনিম্ন কাছাড় জেলা, পাশের হার ৪৯.১৩ শতাংশ - মেধা তালিকায় প্রথম তিনে চার, প্রথম স্থান দখল শংকরদেব শিশু নিকেতনের জ্যোতির
মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় প্রথম তিন স্থান দখল চার শিক্ষাৰ্থীর


- ফলাফলের হিসাবে ছেলেদের পাশের হার ৬৭.৭৮ শতাংশ, আর মেয়েদের ৬৩.৯৬ শতাংশ

- ৮৫.৫৫ শতাংশ পাশ করে শীর্ষ স্থানে ডিমা হাসাও জেলা, সৰ্বনিম্ন কাছাড় জেলা, পাশের হার ৪৯.১৩ শতাংশ

- মেধা তালিকায় প্রথম তিনে চার, প্রথম স্থান দখল শংকরদেব শিশু নিকেতনের জ্যোতির্ময়

গুয়াহাটি, ১০ এপ্রিল (হি.স.) : প্রকাশিত ‘অসম রাজ্য বিদ্যালয় শিক্ষা পর্ষদ’ (আসাম স্টেট স্কুল এডুকেশন বোর্ড, সংক্ষেপে এএসএসইবি), (পূর্ববর্তী সেকেন্ডারি এডুক্যাশন বোর্ড অব আসাম, সংক্ষেপে এসইবিএ বা সেবা) পরিচালিত মাধ্যমিক (দশম শ্রেণি) পরীক্ষা (এইচএসএলসি) ২০২৬-র ফলাফল। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটায় এএসএসইবি-র চারটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী সার্বিকভাবে পাশের হার ৬৫.৬২ শতাংশ। শতাংশের হারে এবারও মেয়েদের টেক্কা দিয়েছে ছেলেরা। এবার উল্লেখযোগ্যভাবে মাধ্যমিকের পাশের হার বেড়েছে। গতবার (২০২৫) পাশের হার ছিল ৬৩.৯৮ শতাংশ, তবে ২০১৪ সালে পাশের হার ছিল ৭৫.৭ শতাংশ।

মেধা তালিকায় প্রথম তিন স্থান দখল করেছে চার শিক্ষাৰ্থী। তাঁদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বজালি জেলার অন্তর্গত পাটাসারকুচির শংকরদেব শিশু নিকেতনের জ্যোতির্ময় দাস। জ্যোতিৰ্ময় লাভ করেছে সৰ্বমোট ৫৯১ নম্বর। এছাড়া বিশ্বনাথ জেলার অম্বিকাগিরি রায়চৌধুরী জাতীয় বিদ্যালয়ের আকাঙ্ক্ষা ভুইয়াঁ। আকাঙ্ক্ষা ভুইয়াঁ পেয়েছে সৰ্বমোট ৫৮৯ নম্বর। তৃতীয় স্থান দখল করেছে দুই শিক্ষার্থী। তারা ডিব্রুগড়ের লিটিল ফ্লাওয়ার হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের জিয়া ফারাহ ইসলাম এবং নলবাড়ির লিটিল ফ্লাওয়ার স্কুলের সুরজিৎ আখতার। জিয়া এবং সুরজিতের প্রাপ্ত মোট নম্বর ৫৮৮।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছিল ৪,২৯,২৪৯ জন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১,৮৬,৪৬৮ জন ছিল ছেলে এবং ২,৪২,৭৮১ জন ছিল মেয়ে। তাদের মধ্যে মোট ২,৮১,৭০১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। মোট ৪,৩৮,৫৬৪ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিল। এর মধ্যে ৯,৩১৫ জন অনুপস্থিত ছিল ১৩৫ জন পরীক্ষায় অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত অভিযোগে বহিষ্কৃত হয়েছিল। এছাড়া পাঁচজনের ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলাফলের হিসাবে ছেলেদের পাশের হার ৬৭.৭৮ শতাংশ, আর মেয়েদের ৬৩.৯৬ শতাংশ।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, ৮৫,১৮৯ জন প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে ৩,৯৮৩ জন ডিস্টিংশন এবং ১৩,৬৮১ জন স্টার মার্ক পেয়েছে। মোট ১,৫০,১৬৭ জন দ্বিতীয় বিভাগে এবং ৪৬,৩৪৫ জন তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে ৯৯,০৬২ জন লেটার মার্ক অর্জন করেছে।

জেলাভিত্তিক ফলাফলে ডিমা হাসাও ৮৮.২৩ শতাংশ পাশের হার নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে। গত বছর রাজ্যের ৩৩টি জেলার মধ্যে ৮১ শতাংশ পাশ করে ডিমা হাসাও জেলার অবস্থান ছিল নবম স্থানে। এবার ৮৪.০৮ শতাংশ পাশ করে দ্বিতীয় স্থান অৰ্জন করেছে শিবসাগর এবং ৭৮.৪৬ শতাংশ পাশ করে তৃতীয় স্থান দখল করেছে ডিব্রুগড় জেলা। সবচেয়ে কম পাশের হার কাছাড় জেলায়। কাছাড়ে পাশের হার মাত্র ৪৯.১৩ শতাংশ।

শ্রেণিভিত্তিক ফলাফলে সমতল তফশিলি জনজাতি (এসটি-পি) শ্রেণির পাশের হার সর্বোচ্চ ৭৩.৬৫ শতাংশ। এর পরেই অন্যান্য পশ্চাদপদ শ্রেণি ৭১.৬৫ শতাংশ, সংখ্যালঘু অন্যান্য পশ্চাদপদ শ্রেণি ৭০.৯৪ শতাংশ এবং চা-জনজাতি শ্রেণির পাশের হার ৫০.৫১ শতাংশ।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande