অসমে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিদ্যা ভারতীর ছাত্রছাত্রীদের সাফল্য, প্রথম জ্যোতির্ময় দাস
গুয়াহাটি, ১০ এপ্রিল (হি.স.) : অসমে হাইস্কুল শিক্ষান্ত (মাধ্যমিক) পরীক্ষায় মোট ৫৯১ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে বজালি জেলার অন্তর্গত পাটাসারকুচির শংকরদেব শিশু নিকেতনকে গৌরবান্বিত করেছে জ্যোতির্ময় দাস। আজ শুক্রবার ঘোষিত হাইস্কুল
মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী জ্যোতির্ময় দাস


গুয়াহাটি, ১০ এপ্রিল (হি.স.) : অসমে হাইস্কুল শিক্ষান্ত (মাধ্যমিক) পরীক্ষায় মোট ৫৯১ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে বজালি জেলার অন্তর্গত পাটাসারকুচির শংকরদেব শিশু নিকেতনকে গৌরবান্বিত করেছে জ্যোতির্ময় দাস।

আজ শুক্রবার ঘোষিত হাইস্কুল শিক্ষান্ত পরীক্ষায় বিদ্যা ভারতীর অন্তর্গত শিশুশিক্ষা সমিতি, অসম-এর অধীনস্থ শংকরদেব শিশু নিকেতনগুলির ফলাফল জনসাধারণের মধ্যে বিদ্যা ভারতীর আদর্শ এবং মাতৃভাষাভিত্তিক বিদ্যালয়ের গুরুত্ব বহুগুণে বৃদ্ধি করেছে।

শিশুশিক্ষা সমিতি, অসম-এর প্রান্তীয় প্রচার সমন্বয়ক মুকুটেশ্বর গোস্বামী জানিয়েছেন, এ বছর হাইস্কুল শিক্ষান্ত পরীক্ষায় বিদ্যা ভারতীর ৩৩৭টি বিদ্যালয়ের ৯,৬৯৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ৫,৩৪০ জন প্রথম বিভাগে, ৩,২৭৩ জন দ্বিতীয় বিভাগে এবং ৪৮২ জন তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে। এছাড়া ১,২৭৮ জন স্টার মার্ক এবং ৩৭৯ জন ডিস্টিংশন অর্জন করেছে। ১৫৬টি বিদ্যালয় থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ১৪টি বিদ্যালয়ে সব শিক্ষার্থী প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে।

অসমের সমৃদ্ধ ভাষা ও সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও বিকাশের পাশাপাশি বিদ্যা ভারতীর বিদ্যালয়গুলি সর্বদা শিক্ষাক্ষেত্রে উৎকৃষ্ট ফলাফল প্রদর্শন করে আসছে। গত দুই দশকে বিদ্যা ভারতীর আট শিক্ষার্থী রাজ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে ইতিহাস রচনা করেছে।

বিদ্যা ভারতী শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের লক্ষ্যে পঞ্চপদী শিক্ষণ পদ্ধতি এবং জাতীয় শিক্ষা নীতির কার্যকর বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিয়ে আসছে।

বিদ্যা ভারতী পূর্বোত্তর ক্ষেত্রের সংগঠন মন্ত্রী ড. পবন তিওয়ারি, সভাপতি প্রফেসর গঙ্গাপ্রসাদ প্রসাইন, সম্পাদক ড. জগদীন্দ্র রায়চৌধুরী, শিশু শিক্ষা সমিতি অসম-এর সভাপতি কুলেন্দ্রকুমার ভাগবতী এবং সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ রাজবংশী সকল সফল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী বছরগুলিতেও বিদ্যা ভারতীর শিক্ষার্থীরা উৎকৃষ্ট ফলাফল করে রাজ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। ২০২৩ সালে হৃদম ঠাকুরিয়া, ২০১৯ সালে মেঘাশ্রী বরা, ২০১৬ সালে মহম্মদ সরফরাজ হুসেইন, ২০১২ সালে জ্ঞানদীপ শর্মা ও স্তুতি খাউন্দ, ২০১১ সালে প্রকাশজ্যোতি কলিতা এবং ২০১০ সালে যুগল তালুকদার রাজ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছিল।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande