
কলকাতা, ১১ এপ্রিল (হি. স.) : পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে আয়োজিত একটি নির্বাচনী জনসভা থেকে প্রতিপক্ষ শিবিরের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁর মনোনয়ন পত্র বাতিল করার জন্য সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। এমনকি তাঁর নামে ‘ভুয়ো হলফনামা’ দাখিল করে মনোনয়ন খারিজ করার চেষ্টাও চালানো হয়েছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, “আমার নির্বাচনী এলাকায় আমার নাম কেটে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আমার নামে দুটি আলাদা হলফনামা জমা দিয়ে মনোনয়ন বাতিল করার চেষ্টা হয়। আমাকে অপমানিত করার চেষ্টা হয়েছে যাতে আমি নির্বাচনে লড়তে না পারি। আমার সঙ্গেই যদি এমনটা হতে পারে, তবে সাধারণ মানুষের সাথে কী হতে পারে তা সহজেই বোঝা যাচ্ছে।” উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানোর অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়াকেও “বড় কেলেঙ্কারি” বলে অভিহিত করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টি এবং নির্বাচন কমিশনকে একযোগে নিশানা করেন। তাঁর মতে, এই প্রক্রিয়াটি নিরপেক্ষ নয় এবং এর উদ্দেশ্য হলো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া।
অন্যদিকে, বিজেপির ‘সংকল্প পত্রে’ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, এর ফলে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হবে এবং দেশের বৈচিত্র্যের ওপর আঘাত আসবে। নির্বাচনের মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিস্ফোরক মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি