
পুষ্কর, ১১ এপ্রিল (হি.স.): শনিবার পুষ্করে শুরু হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের রাজস্থান ক্ষেত্রের লিগ্যাল সেলের দুই দিনব্যাপী আইনজীবী সম্মেলন। এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ডঃ সুরেন্দ্র জৈন। তিনি এদিন সাংবাদিকদের বলেন, শিক্ষায় তোষণ বন্ধ করতে সরকারের উদ্যোগী হওয়া উচিত। জাতীয় শিক্ষা নীতির অন্তর্গত শিক্ষা সর্বত্র বাস্তবায়িত করা উচিত। এমন শিক্ষা যা দেশপ্রেমের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। মাদ্রাসাগুলিতেও এমনই শিক্ষাক্রম হওয়া উচিত। কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের জন্য বিশেষ শিক্ষাক্রম বন্ধ হওয়া দরকার।
ডঃ জৈন বলেন, ১৯৯৫ সালের গোরক্ষা আইনে ব্যাপক পরিবর্তন প্রয়োজন। তবেই আইনটি কার্যকর হবে এবং রাজস্থানে গোহত্যা ও পাচারের ঘটনা বন্ধ হবে। মন্দির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ মন্দিরগুলোকে সরকারি নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করার দাবিকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে। তিনি আরও বলেন, মন্দিরের অর্ঘ্য এবং আয় ধর্মীয় সংস্কৃতি ও সনাতন রীতিনীতি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হওয়া উচিত। মন্দিরের সম্পত্তি সরকারি নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করে একটি সামাজিক ট্রাস্টের হাতে তুলে দেওয়া উচিত।
তিনি এও বলেন, রাজস্থানে ধর্মান্তকরণ রোধে রাজস্থান সরকারের আইনকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ স্বাগত জানায়। এর ফলে এই রাজ্যে ক্রমবর্ধমান ধর্মান্তকরণ এখন রোধ করা যাবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি বলেন, রাজস্থান ধর্মকর্মের ক্ষেত্র। প্রতিটি গ্রামেই সমাজের রাখা চারণভূমি ছিল। দুর্ভাগ্যবশত, আজ প্রতিটি গ্রামে এই চারণভূমিগুলির উপর ক্রমবর্ধমান দখলদারি হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, রাজস্থান সরকার যেন প্রতিটি গ্রামের চারণভূমি চিহ্নিত করে তা মুক্ত করার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
সাংবাদিক সম্মেলনে ক্ষেত্র সচিব সুরেশ উপাধ্যায়, সংগঠন সচিব রাজারাম, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রবক্তা অমিতোষ পারিক, মতিসিংহ রাজপুরোহিত এবং অন্যান্য কার্যকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ