
মালদা, ১৩ এপ্রিল ( হি. স.) : বাংলা-বিহার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত যুবকের নাম আজমল হোসেন (২১)। তিনি মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের মালিওর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ তালশুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, আজমলকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। তাঁরা দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মৃত যুবকের মোবাইল ফোনটি এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি, যা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে।
তথ্য অনুযায়ী, রবিবার রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ আজমল তাঁর শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। সোমবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে বাংলা-বিহার সীমান্তের কাছে ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নোয়াপাড়া বাঁধ রোডের পাশ থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। দেহের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
ঘটনাস্থল থেকে যুবকের বাইকটি উদ্ধার হলেও তাঁর মোবাইল ফোনটি মেলেনি। পরিবারের দাবি, আজমল একটি লেদ কারখানায় কাজ করতেন। রবিবার রাতে কারখানা মালিকের বাইক নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়ির দিকে রওনা দিয়েছিলেন, কিন্তু তারপর থেকে তাঁর আর খোঁজ মেলেনি। সোমবার সকালে দেহ উদ্ধারের পর পুলিশ তা ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
মৃতের পরিবারের এক সদস্য জানিয়েছেন, মাথার পিছনে গভীর ক্ষত রয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে লোহার রড দিয়ে মারা হয়েছে। শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন আছে। বাইকটি দেখেও মনে হচ্ছে সেটি ভাঙচুর করা হয়েছে। মোবাইল নিখোঁজ থাকায় আমাদের নিশ্চিত, এটি একটি খুনের ঘটনা। পুলিশ দ্রুত অপরাধীদের ধরুক।
হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি