ঝাড়গ্রামে ভোটের প্রস্তুতি তুঙ্গে, হাতি সামলাতে বনদফতরের ত্রিস্তরীয় নজরদারি
ঝাড়গ্রাম, ১৩ এপ্রিল ( হি. স.) : নির্বাচনের আগে ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক প্রস্তুতি এখন একেবারে শেষ পর্যায়ে। সোমবার জেলা শাসকের দফতরে এক সাংবাদিক বৈঠকে ভোট পরিচালনা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরলেন জেলা শাসক তথা জেলা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আ
ঝাড়গ্রামে ভোটের প্রস্তুতি তুঙ্গে, হাতি সামলাতে বনদফতরের ত্রিস্তরীয় নজরদারি


ঝাড়গ্রাম, ১৩ এপ্রিল ( হি. স.) : নির্বাচনের আগে ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক প্রস্তুতি এখন একেবারে শেষ পর্যায়ে। সোমবার জেলা শাসকের দফতরে এক সাংবাদিক বৈঠকে ভোট পরিচালনা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরলেন জেলা শাসক তথা জেলা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আকাঙ্ক্ষা ভাস্কর। তিনি জানান, গোটা জেলায় শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে একাধিক স্তরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটারদের নির্ভয়ে বুথে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মানব সিংলা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নোডাল অফিসার কম্যান্ডান্ট প্রবীণ ত্রিপাঠী, বনদফতরের ডিএফও উমর ইমাম, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ভুবনচন্দ্র হাঁসদা-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। পুলিশ সুপার জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। তবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে এবার ভোট প্রক্রিয়ায় সিভিক ভলান্টিয়ার বা গ্রাম পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে না। অশান্তি রুখতে দুষ্কৃতীদের আগাম চিহ্নিত করে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

ঝাড়গ্রামের ভৌগোলিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বন্য হাতির গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে বনদফতর। ডিএফও উমর ইমাম জানান, হাতি-প্রবণ এলাকায় ভোট প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন রুখতে ত্রিস্তরীয় নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। জঙ্গল এলাকায় বিশেষ ট্র্যাকিং দল মোতায়েন থাকবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ বুথগুলির জন্য আলাদা টিম গঠন করা হয়েছে। প্রায় ৩০০ জন বনকর্মী ও ২৫টি গাড়ি এই বিশেষ নজরদারিতে নিয়োজিত থাকবে। এমনকি বাইরে থেকে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের জন্য হাতি সংক্রান্ত সতর্কতা সম্বলিত লিফলেট বিতরণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রেও প্রস্তুতি সম্পূর্ণ বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানান, প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, ওষুধ ও জরুরি সরঞ্জাম মজুত রাখা হয়েছে। ঝাড়গ্রামের জঙ্গলমহল এলাকায় অবাধ ও নিরাপদ ভোট উপহার দেওয়াই এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande