তপ্ত রোদ উপেক্ষা করে বাঁকুড়ায় মমতার পদযাত্রা, যানজট ও ব্যবসায়িক ক্ষতির অভিযোগে সরব একাংশ
বাঁকুড়া, ১৩ এপ্রিল ( হি. স.) : চৈত্র শেষের চড়া রোদ ও ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করেই নীলষষ্ঠীর দুপুরে বাঁকুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রচার চালালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাঁকুড়া সদর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ডাক্তার অনুপ মণ্
মমতা বন্দ্য়োপা)্য়ায


বাঁকুড়া, ১৩ এপ্রিল ( হি. স.) : চৈত্র শেষের চড়া রোদ ও ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করেই নীলষষ্ঠীর দুপুরে বাঁকুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্রচার চালালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাঁকুড়া সদর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ডাক্তার অনুপ মণ্ডলের সমর্থনে এদিন তামলিবাঁধ থেকে লালবাজার হিন্দু স্কুল পর্যন্ত পদযাত্রা করেন তিনি।

তৃণমূলনেত্রীর এই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে এদিন বাঁকুড়া শহরে পুলিশি নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো। নিরাপত্তার খাতিরে শহরের বিভিন্ন রাস্তা ব্যারিকেড করে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তবে পুলিশের এই পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ শহরের সাধারণ বাসিন্দা থেকে ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে দশকর্মা, মিষ্টি, ফল ও সবজি বিক্রেতারা ক্ষোভের সঙ্গে জানান, মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নীলপূজা, চড়ক গাজন, নববর্ষ ও হালখাতা উপলক্ষে তাঁদের ব্যবসার চূড়ান্ত সময়। জনসভার কারণে রাস্তা বন্ধ থাকায় তাঁদের ব্যবসায়িক ক্ষতি হলো। প্রশাসনের এই বিষয়ে আরও চিন্তাভাবনা করা দরকার ছিল বলে তাঁরা মনে করছেন।

এদিন পদযাত্রার পথে বিভিন্ন জায়গায় দাঁড়িয়ে জনতার দিকে হাত নাড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চরম গরম উপেক্ষা করে তাঁকে দেখার জন্য রাস্তার দু’পাশে কয়েক ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, যার জেরে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বাঁকুড়া শহর। পথে তিনি বাঁকুড়ার ঐতিহ্যবাহী মহামায়া মন্দির ও ইন্দারাগোড়া মন্দিরে পুজো দেন এবং সেখানে আসা পুণ্যার্থী ও গৃহবধূদের সঙ্গে কথা বলেন।

উল্লেখ্য, বাঁকুড়া বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রয়েছেন বিজেপির গতবারের বিজয়ী বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানা, সিপিআইএম-এর অভয় মুখোপাধ্যায়, জাতীয় কংগ্রেসের অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এসইউসি-র লীনা ঘোষ। গত নির্বাচনে এই আসনে তৃণমূল প্রার্থী অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় দেড় হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। তবে এবার তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা জয়ের ব্যাপারে যথেষ্ট আশাবাদী। পদযাত্রা শেষে হিন্দু স্কুল মাঠে পৌঁছে বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ কপ্টারে করে পরবর্তী গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ বরাট




 

 rajesh pande