মৈরাং বিজয় দিবস উদ্যাপন, রাজ চক্রবর্তীর ওয়েব সিরিজে নেতাজির নাম ব্যবহারের প্রতিবাদে সরব গবেষকরা
কলকাতা, ১৪ এপ্রিল (হি.স.): ১৯৪৪ সালের ১৪ এপ্রিল। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আজাদ হিন্দ ফৌজের ‘বাহাদুর গ্রুপ’-এর সেনাপ্রধান শওকত মালিকের নেতৃত্বে মণিপুরের মৈরাং-এর মাটিতে প্রথমবার উত্তোলিত হয়েছিল ভারতের জাতীয় পতাকা। ইতিহাসের পাতায় যা ‘মৈরাং দিবস’ বা ভা
মৈরাং বিজয় দিবস উদ্যাপন


কলকাতা, ১৪ এপ্রিল (হি.স.): ১৯৪৪ সালের ১৪ এপ্রিল। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আজাদ হিন্দ ফৌজের ‘বাহাদুর গ্রুপ’-এর সেনাপ্রধান শওকত মালিকের নেতৃত্বে মণিপুরের মৈরাং-এর মাটিতে প্রথমবার উত্তোলিত হয়েছিল ভারতের জাতীয় পতাকা। ইতিহাসের পাতায় যা ‘মৈরাং দিবস’ বা ভারতের মুক্তি দিবস হিসেবে পরিচিত। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণ করে মঙ্গলবার কলকাতার রেড রোডে আজাদ হিন্দ শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের পাদদেশে সমবেত হন একদল নেতাজি গবেষক ও অনুরাগী।

​এদিন শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুভাষ মিশনের রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, চট্টগ্রাম পরিষদের প্রদীপ দত্ত, সুপ্রকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়, শেখ আলি-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণের পাশাপাশি এই সমাবেশ থেকে মূলত দুটি দাবি তোলা হয়। প্রথমত, ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানকে জাতীয় স্লোগানের মর্যাদা প্রদান এবং দ্বিতীয়ত, পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সাম্প্রতিক ওয়েব সিরিজে নেতাজির নামের ‘অমর্যাদাকর’ ব্যবহারের তীব্র প্রতিবাদ।

​নেতাজি গবেষক ড. জয়ন্ত চৌধুরী অভিযোগ করেন, রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ওয়েব সিরিজ ‘আবার প্রলয়-২’-এ অত্যন্ত অন্যায্যভাবে নেতাজির নাম ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, পরিচালককে অবিলম্বে সিরিজের সেই অংশগুলি বাতিল করতে হবে যেখানে নেতাজির নাম উল্লেখ করা হয়েছে, অন্যথায় তাঁকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

​এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন তপতী চক্রবর্তী, অনর্ঘ সরকার, প্রিয়ম গুহ এবং নেতাজি পরিবারের সদস্য ইন্দ্রনীল মিত্র। অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে ‘নেতাজি চেতনা মঞ্চ’। এদিনের অনুষ্ঠানটি শেষ হয় আজাদ হিন্দ ফৌজের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৃজিতা বসাক




 

 rajesh pande