
কলকাতা, ১৪ এপ্রিল (হি.স.): এক ‘স্টিং অপারেশন’ ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। জনৈক ব্যক্তির সঙ্গে হুমায়ুন কবীরের একটি বিতর্কিত ভিডিও প্রকাশ পেতেই তাতে নয়া মাত্রা যোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে এদিন শাহ সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “হুমায়ুন কবীর আসলে দিদিরই (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) এজেন্ট।”
প্রকাশিত ওই ভিডিওতে হুমায়ুন কবীরকে জনৈক ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথনে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগে থাকার ইঙ্গিত দিতে দেখা গিয়েছে। এমনকি নীতীশ কুমারের প্রসঙ্গ টেনে বিশাল অঙ্কের টাকার লেনদেন এবং শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি যাওয়ার প্রস্তাবের মতো চাঞ্চল্যকর দাবিও শোনা গিয়েছে। তৃণমূল এই ভিডিওকে ‘বিজেপির গোপন আঁতাঁত’-এর প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরলেও, অমিত শাহের দাবি— বিজেপির বদনাম করতে এবং ভোটারদের বিভ্রান্ত করতেই এই ধরনের পরিকল্পিত চিত্রনাট্য সাজানো হয়েছে।
এদিন শাহের বক্তব্যের সবচেয়ে চর্চিত বিষয় ছিল রাম মন্দির ও অযোধ্যার প্রসঙ্গ। রাজ্যে মেরুকরণের রাজনীতিকে উসকে দিয়ে তিনি কড়া ভাষায় বলেন, “বাংলার মানুষ পরিবর্তন আনতে চলেছে। এখানে বিজেপি সরকার আসবে। আর এটা স্পষ্ট করে দিই, বাংলায় কোনওভাবেই বাবরি মসজিদ তৈরি হতে পারে না।” শাহের এই মন্তব্য রাজনৈতিক পারদকে এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েছেন হুমায়ুন কবীর। যদিও তিনি নিজে এই ভিডিওর সত্যতা অস্বীকার করেছেন। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্থান সমাচার। তবে নির্বাচনের ঠিক আগে এই ‘স্টিং অপারেশন’ বনাম শাহের ‘পাল্টা তোপ’ জনমানসে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি