ইডি-র তলব এড়িয়ে সময় চাইলেন ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস, বালি খাদান ও অর্থ তছরুপ মামলায় অস্বস্তি
কলকাতা, ২২ এপ্রিল (হি. স.) : বালি পাচার এবং সেই সংক্রান্ত অর্থ তছরুপের মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) তলব এড়িয়ে গেলেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। বুধবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ত
ইডি-র তলব এড়িয়ে সময় চাইলেন ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস, বালি খাদান ও অর্থ তছরুপ মামলায় অস্বস্তি


কলকাতা, ২২ এপ্রিল (হি. স.) : বালি পাচার এবং সেই সংক্রান্ত অর্থ তছরুপের মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) তলব এড়িয়ে গেলেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। বুধবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হলেও তিনি নিজে উপস্থিত হননি। তবে তাঁর পক্ষ থেকে একজন আইনজীবী ইডি দফতরে গিয়ে হাজিরা দেওয়ার জন্য বাড়তি সময় চেয়ে আবেদন করেছেন।

তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের আইনজীবী ইডি আধিকারিকদের জানিয়েছেন যে, অন্যান্য কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে ডিসিপি বর্তমানে উপস্থিত হতে পারছেন না। তাই তাঁকে অন্য কোনও তারিখে ডাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বালি পাচার মামলায় বিপুল আর্থিক অনিয়মের যে অভিযোগ উঠেছে, সেই সূত্রেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

উল্লেখ্য, বালি পাচারের পাশাপাশি দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত একটি মামলাতেও পুলিশের এই উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নাম জড়িয়েছে। সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল, তোলাবাজি এবং অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা রয়েছে। এই সূত্রেই বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারকে আগেই গ্রেফতার করেছে ইডি।

তদন্তের স্বার্থে গত রবিবার ফার্ন রোডে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের আবাসনে ম্যারাথন তল্লাশি চালায় ইডি। সকাল থেকে শুরু হওয়া সেই অভিযান চলেছিল গভীর রাত পর্যন্ত। তল্লাশির পর গত সোমবার শান্তনু সিনহা বিশ্বাস এবং তাঁর দুই ছেলে সায়ন্তন ও মণীশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু সেদিনও তাঁরা কেউ হাজিরা দেননি। এবার বালি পাচার মামলাতেও তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই তাঁকে পুনরায় হাজিরার জন্য নতুন দিন ধার্য করে নোটিশ পাঠানো হতে পারে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande