
উদয়পুর, ২২ এপ্রিল (হি.স.): ল্যান্সকার্ট সংস্থার ড্রেসকোড ঘিরে দেশজুড়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রভাব এবার পড়ল রাজস্থানের উদয়পুরে। শহরের অশোক নগর এলাকায় অবস্থিত এক শোরুমে বুধবার বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা গিয়ে বিক্ষোভ দেখান এবং সংস্থার কাছ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেন।
বিক্ষোভ চলাকালীন আন্দোলনকারীরা শোরুমের কর্মীদের তিলক পরিয়ে ভারতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সমর্থনে বার্তা দেন। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শ্রী রাম সেনার প্রতিষ্ঠাতা উমেশ নাগদা, দীপক সিং রানা-সহ একাধিক সংগঠনের সদস্যরা। পাশাপাশি বিশ্ব হিন্দু মহাসঙ্ঘ (ভারত)-এর প্রদেশ সহ-সমন্বয়ক বিকাশ গৌড়ও উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, সম্প্রতি ল্যান্সকার্টের ড্রেসকোড নিয়ে সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সংস্থার পক্ষ থেকে কর্মীদের ধর্মীয় প্রতীক বা ঐতিহ্যবাহী চিহ্ন ব্যবহারে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে সংস্থার তরফে নীতিতে পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
তবে বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, নীতিতে পরিবর্তনের দাবি জানানো হলেও বিষয়টি নিয়ে এখনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি। সংস্থার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, কী উদ্দেশ্যে এমন নীতি চালু করা হয়েছিল এবং পরে তা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল।
এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা না পাওয়া গেলে আগামী দিনেও প্রতিবাদ কর্মসূচি চলবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখানো প্রয়োজন এবং এই ধরনের নীতি গ্রহণের আগে সামাজিক প্রভাব বিবেচনা করা উচিত।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ল্যান্সকার্টের একটি অভ্যন্তরীণ ড্রেসকোড সংক্রান্ত নথি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে কর্মীদের ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহারে বিধিনিষেধের অভিযোগ ওঠে। যদিও সংস্থার পক্ষ থেকে পরে তা অস্বীকার করে নীতি সংশোধনের কথা জানানো হয়।”
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য