অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে একজনও বাঙালি হিন্দু নেই, প্রমাণ হলে পদত্যাগে আমি প্রস্তুত, কলকাতায় হিমন্তবিশ্ব
কলকাতা, ২৫ এপ্রিল (হি.স.) : অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে একজনও বাঙালি হিন্দু নেই, একজন বাঙালি হিন্দু ডিটেনশন ক্যাম্পে আছেন বলে প্রমাণ হলে পদত্যাগে প্রস্তুত আমি, কলকাতায় বলেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। আজ শনিবার কলকাতায় আয়
কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে হিমন্তবিশ্ব শর্মা


কলকাতা, ২৫ এপ্রিল (হি.স.) : অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে একজনও বাঙালি হিন্দু নেই, একজন বাঙালি হিন্দু ডিটেনশন ক্যাম্পে আছেন বলে প্রমাণ হলে পদত্যাগে প্রস্তুত আমি, কলকাতায় বলেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা।

আজ শনিবার কলকাতায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য পেশ করছিলেন হিমন্তবিশ্ব শর্মা। বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপস্থাপন করেছেন।

গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ড. শর্মা বলেন, গত কয়েক দশকে পশ্চিমবঙ্গের জনবিন্যাস কাঠামো দ্রুত পরিবর্তিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসম একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। যদি একটি রাজ্যেও সীমান্ত খোলা থাকে এবং সেখান দিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটে তা-হলে তার প্রভাব গোটা দেশে পড়ে।

অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে বাঙালি হিন্দুদের রাখা হয়েছে বলে দাবি খারিজ করে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা স্পষ্ট বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেস-এর এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর। অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পগুলোতে একজনও বাঙালি হিন্দুকে রাখা হয়নি, রাজ্য এমন একটি ঘটনা নেই। যদি একজনও থাকেন, আর প্রমাণ হয়, তা-হলে আজই আমি পদত্যাগ করতে প্রস্তুত।’

অবৈধ অনুপ্রবেশকারী শনাক্তকরণ ও বহিষ্কার সংক্রান্ত আইনি বিধানের কথা উল্লেখ করে ১৯৫০ সালের ‘ইমিগ্র্যান্টস (এক্সপালশন ফ্রম অসম) অ্যাক্ট’-এর প্রসঙ্গ তুলেন ড. শর্মা। তিনি বলেন, এই আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা প্রশাসনের রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এই আইনের আওতায় সুপ্রিম কোর্ট অসমকে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা দিয়েছে। কোনও ডিস্ট্ৰিক্ট কমিশনার যদি কাউকে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে চিহ্নিত করেন, তবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।’

অসমের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এ ধরনের আইনি কাঠামো শুধু অসমেই সীমাবদ্ধ না রেখে অন্যান্য রাজ্যেও প্রসারিত করা উচিত। তাঁর মতে, এতে অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায় ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। তবে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান ব্যবস্থায় কিছু সম্প্রদায় বিশেষ সুরক্ষা পেয়ে থাকে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande