ত্রিপুরায় কংগ্রেসের পুনর্গঠনে জোর, ‘সংগঠন সৃজন অভিযান’-এর ডাক বিজয়লক্ষ্মী সাধুর
আগরতলা, ২৬ এপ্রিল (হি.স.) : ত্রিপুরায় কংগ্রেসের সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জোর দিয়ে ‘সংগঠন সৃজন অভিযান’-এর মাধ্যমে তৃণমূল স্তরে দলকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানালেন সদর জেলার এআইসিসি পর্যবেক্ষক তথা মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী বিজয়লক্ষ্মী সাধু। রবিবার আগ
কংগ্রেসের সাংবাদিক সম্মেলন


আগরতলা, ২৬ এপ্রিল (হি.স.) : ত্রিপুরায় কংগ্রেসের সাংগঠনিক পুনর্গঠনে জোর দিয়ে ‘সংগঠন সৃজন অভিযান’-এর মাধ্যমে তৃণমূল স্তরে দলকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানালেন সদর জেলার এআইসিসি পর্যবেক্ষক তথা মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী বিজয়লক্ষ্মী সাধু। রবিবার আগরতলায় প্রদেশ কংগ্রেস সদর দফতরে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিজয়লক্ষ্মী সাধু বলেন, বুথ থেকে শুরু করে ব্লক ও জেলা স্তর পর্যন্ত নতুন নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপনই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। তাঁর কথায়, “সংগঠন সৃজন অভিযান শুধুমাত্র একটি অভ্যন্তরীণ কর্মসূচি নয়, এটি জনগণের সঙ্গে পুনরায় সংযোগ স্থাপন এবং সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার একটি বৃহত্তর মিশন।”

তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি শাসনামলে সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার খর্ব হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে এই অভিযান প্রতিটি স্তরে সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি জনমুখী বিষয়গুলো তুলে ধরবে বলেও জানান তিনি।

বিজয়লক্ষ্মী সাধু আরও জানান, রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়গের নির্দেশনায় দেশব্যাপী এই কর্মসূচি চালু হয়েছে। এর আওতায় তৃণমূল স্তরের সংগঠন পুনরুজ্জীবিত করা, জেলা কংগ্রেস কমিটির প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সভাপতি নিয়োগ এবং সক্রিয় কর্মীদের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সদস্য সংগ্রহ অভিযান, প্রশিক্ষণ শিবির এবং ধারাবাহিক প্রচার কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “কংগ্রেস শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি স্বাধীনতা সংগ্রামের আদর্শে গড়ে ওঠা একটি আন্দোলন। সেই মূল্যবোধকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে দলকে নতুনভাবে জাগিয়ে তুলতে হবে।”

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অশোক দেববর্মা, কার্তিক দেবনাথ, নিগমানন্দ গোস্বামী এবং তন্ময় রায়সহ দলের একাধিক প্রবীণ নেতা।

এছাড়াও দিল্লি থেকে এআইসিসি পর্যবেক্ষক কে. তিলোত্তমা ও তরুণ ত্যাগীকে ধর্মনগর ও বিলোনিয়া-সহ বিভিন্ন জেলায় প্রচার অভিযান তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা নিয়মিতভাবে এআইসিসি-র কাছে প্রতিবেদন জমা দেবেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande