
কলকাতা, ২৭ এপ্রিল (হি.স.): রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষ দফা ভোটের আগে সোমবার জোরকদমে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন দুটি জনসভা ছিল তাঁর। এছাড়া একটি করে সমাবেশ ও রোড শো। জনসভা দুটির পরে তিনি সমাজ মাধ্যমে বার্তা দেন। লেখেন,
‘বন্ধু, তোমার ছাড়ো উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ করো চিত্ত,
বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।’
আমি জনহিতৈষণে বিশ্বাসী এবং মনুষ্যত্বকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়ে রাজনৈতিক পথচলা শুরু করেছি। বিগত এক মাস ধরে সমগ্র বাংলা জুড়ে জনসভা ও রোড শো’য়ে আমি লক্ষ্য করছি, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও সমর্থন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধনিয়াখালি বিধানসভার আজকের জনসভায় ঐক্যবদ্ধ জনগণের আশীর্বাদ, দোয়া ও সান্নিধ্য পেয়ে আমি আবেগাপ্লুত। আমি তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস, যারা বাংলার কৃষ্টি ও সম্মানকে ধূলিসাৎ করতে উদ্যত; মানুষ তাদের যোগ্য প্রত্যুত্তর দেবেন। আজকের জনসভায় মানুষ এই সংকল্প গ্রহণ করেছেন যে, তাঁরা শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও সম্প্রীতির এই বাংলায় স্বৈরাচারী ও বাংলা-বিরোধী শক্তিকে প্রতিহত করবেন।
আরেকটি পোস্টে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেন, আজ প্রচারের অন্তিম মুহূর্তে হরিণঘাটা বিধানসভার জনসভায় মানুষের অভূতপূর্ব উন্মাদনা এবং স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে দিয়েছে; বাংলা-বিরোধী বিজেপিকে ধূলিসাৎ করতে সকলে প্রস্তুত। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি হরিণঘাটাবাসীর যে প্রত্যাশা আর ভালোবাসা প্রত্যক্ষ করলাম, তা সত্যিই আমাকে আবেগপ্রবণ করে তুলেছে। মানুষের এই আশীর্বাদ এবং সমর্থনই আমাদের লড়াইয়ের আসল শক্তি।
আমার কাছে রাজনীতি মানে ক্ষমতার অপব্যবহার নয়, রাজনীতি মানে মানুষের সেবা করা। দিল্লির জমিদারদের থেকে বাংলার মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনা এবং উন্নয়নের মূল ধারায় হরিণঘাটাকে যুক্ত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ