ঝাড়গ্রামে স্ট্রং রুমের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধের অভিযোগ, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক তরজা
ঝাড়গ্রাম, ২৭ এপ্রিল (হি.স.): ঝাড়গ্রামের স্ট্রং রুমের সিসিটিভি ক্যামেরা আচমকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগে সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি প্রার্থীসহ রাজনৈতিক কর্মীরা। অভিযোগ উঠেছে যে, গত রবিবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটরে কিছু দেখা
ঝাড়গ্রামে স্ট্রং রুমের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধের অভিযোগ, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক তরজা


ঝাড়গ্রাম, ২৭ এপ্রিল (হি.স.): ঝাড়গ্রামের স্ট্রং রুমের সিসিটিভি ক্যামেরা আচমকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগে সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি প্রার্থীসহ রাজনৈতিক কর্মীরা। অভিযোগ উঠেছে যে, গত রবিবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটরে কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এই ঘটনার খবর চাউর হতেই রাজনৈতিক দলগুলি একে অপরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়। সিসিটিভি ফুটেজ বন্ধ থাকার ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হতে শুরু করে।

জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রাম জেলার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রং রুম তৈরি করা হয়েছে ঝাড়গ্রামের ইন্দ্রাদেবী মহাবিদ্যালয়ে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ১০ মিনিট সিসিটিভি অকেজো থাকার পর রাত ১২টা ৫ মিনিট নাগাদ তা পুনরায় সচল হয়। তবে ঠিক কী কারণে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি বন্ধ হয়েছিল, তা নিয়ে এখনও নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি।

এই বিষয়ে ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি প্রসূন ষড়ঙ্গী বলেন, এই ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এটি একটি অত্যন্ত খারাপ ইঙ্গিত। যদিও স্ট্রং রুমের বাইরে আমাদের প্রার্থী ও কর্মীরা চব্বিশ ঘণ্টা সতর্ক নজরদারিতে উপস্থিত রয়েছেন।

অন্যদিকে, ঝাড়গ্রাম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মীকান্ত সাউ বলেন, ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই আমি ঝাড়গ্রামের স্ট্রং রুমে ছুটে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে দেখি ক্যামেরার স্ক্রিনটি সত্যিই বন্ধ ছিল। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে সেটি বন্ধ হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

এই প্রসঙ্গে ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের নির্দল প্রার্থী অশোক মাহাতো জানান যে, মূলত প্রযুক্তিগত কিছু ত্রুটির কারণেই সিসিটিভি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আপাতত সব কিছু স্বাভাবিক রয়েছে এবং মনিটরিং চলছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক রাজনৈতিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande