
আগরতলা, ২৭ এপ্রিল (হি.স.) : জনগণনা ২০২৭ উপলক্ষ্যে আগরতলায় প্রজ্ঞা ভবনে সোমবার অনুষ্ঠিত হলো রাজ্য-স্তরের সম্মেলন। ত্রিপুরা সরকারের অর্থনীতি ও পরিসংখ্যান দফতর এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন জনগণনা কার্যক্রম দফতরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
জানা যায়, ১৮৭২ সাল থেকে এটি হবে দেশের ১৬তম এবং স্বাধীনতার পর ৮ম জনগণনা। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, জনগণনা ২০২৭ হবে দেশের প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনগণনা। মোবাইল অ্যাপ এবং ওয়েব-ভিত্তিক মনিটরিং ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই ও তদারকি করা হবে, যার ফলে স্বচ্ছতা ও রিয়েল-টাইম ডেটা যাচাই নিশ্চিত হবে।
জনগণনা কার্যক্রম দুই পর্যায়ে সম্পন্ন হবে। প্রথম পর্যায়ে ‘হাউস লিস্টিং ও হাউজিং সেন্সাস’ আগামী ১ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এর আগে ১৭ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্ব-গণনার সুযোগ থাকবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে জনসংখ্যা গণনা শুরু হবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
সম্মেলনে জনগণনা কার্যক্রম দফতরের অধিকর্তা রতন বিশ্বাস সভাপতিত্ব করেন। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল দফতরের প্রতিনিধি সুভাষ দাশগুপ্ত জনগণনার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, তথ্যভিত্তিক প্রশাসন ও নীতি নির্ধারণে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি ডিজিটাল পদ্ধতিকে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এছাড়াও ত্রিপুরা সরকারের বিভিন্ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় জোরদার, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করা এবং মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
সম্মেলনের শেষে আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনগণনা ২০২৭ সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনিক সমন্বয় ও প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমই হবে প্রধান চাবিকাঠি।
হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ