‘রেল যাত্রা বৃত্তান্ত পুরস্কার যোজনা ২০২৬’–এর আয়োজন রেলওয়ে বোর্ডের
গুয়াহাটি, ২৭ এপ্রিল (হি.স.) : রেলওয়ে কর্মী সহ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে রেলে ভ্রমণ সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা লাভ করার উদ্দেশ্যে এবং সে সমস্ত অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে রেলওয়ের সুযোগ-সুবিধার উন্নয়ন করতে এবং হিন্দি ভাষার ব্যবহার বৃদ্ধি করতে রেলমন্ত্রক (রেলওয়ে ব
এনএফআর_প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র


গুয়াহাটি, ২৭ এপ্রিল (হি.স.) : রেলওয়ে কর্মী সহ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে রেলে ভ্রমণ সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা লাভ করার উদ্দেশ্যে এবং সে সমস্ত অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে রেলওয়ের সুযোগ-সুবিধার উন্নয়ন করতে এবং হিন্দি ভাষার ব্যবহার বৃদ্ধি করতে রেলমন্ত্রক (রেলওয়ে বোর্ড) ‘রেল যাত্রা বৃত্তান্ত পুরস্কার যোজনা’ শীর্ষক একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

আজ সোমবার এক প্রেস বার্তায় এ খবর দিয়ে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানান, ভারতের প্রত্যেক নাগরিক নিজের সারা জীবনে শতাধিকবার রেলের মাধ্যমে ভ্রমণ করেন। রেলে ভ্রমণের মনোরম অভিজ্ঞতা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মনে নিশ্চিতভাবে গেঁথে থাকবে। রেল ভ্রমণের সেই সমস্ত মিষ্টি স্মৃতি লিখে সেই ব্যক্তি এখন থেকে পুরস্কারও লাভ করতে পারবেন।

এই স্কিমের বিজয়ীদের নগদ পুরস্কার ও প্রশংসাপত্র প্রদান করা হবে। এর অধীনে প্রথম পুরস্কার ১০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার ৮ হাজার টাকা এবং তৃতীয় পুরস্কার ৬ হাজার। পাশাপাশি পাঁচটি সান্ত্বনা পুরস্কার রয়েছে, প্রত্যেককে ৪ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

রেল ভ্রমণের বিবরণ অবশ্যই হিন্দি ভাষায় ও আসল হতে হবে। ন্যূনতম ৩,০০০ এবং সর্বাধিক ৩,৫০০ শব্দ ব্যবহার করা যাবে। রেল ভ্রমণের বিবরণ ডাবল স্পেস দিয়ে টাইপ করতে হবে এবং চারদিকে এক ইঞ্চি করে মার্জিন থাকতে হবে। মোট শব্দের সংখ্যা উল্লেখ করতে হবে এবং পৃষ্ঠাগুলিতে সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করতে হবে। নাম, পদ, বয়স, অফিস/বাসস্থানের ঠিকানা, মাতৃভাষা, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল, গল্পের মোট শব্দ সংখ্যা ইত্যাদি সম্পূর্ণ শিটের কাগজে গল্পের শুরুতে ক্যাপিটেল লেটারে উল্লেখ থাকতে হবে।

কেন্দ্রীয় অথবা রাজ্য সরকারের অধীনে কর্মরত যে সমস্ত অফিসার/কর্মচারী এই স্কিমে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী, তাঁর বিরুদ্ধে ভিজিলেন্স/ডিসিপ্লিন ও আপিল বিধি সম্পর্কিত কোনও মামলা বিবেচনাধীন বা বিবেচনা করা হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে স্পষ্টীকরণ দিতে হবে। যে সকল আবেদনকারী সরকারি কর্মচারী নন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ধরনের ফৌজদারি মামলা চলছে না অথবা কোনও ধরনের শাস্তির সম্মুখীন তাঁদের কখনও হতে হয়নি বলে স্পষ্টীকরণ দিতে হবে।

পাশাপাশি সমস্ত আবেদনকারীকে ‘সম্পর্কিত রেল ভ্রমণের বিবরণ মৌলিকভাবে আমার রচনা, এটি অন্য কোনও পুরস্কার স্কিমের অধীনে পুরস্কৃত হয়নি’ বলে একটি স্পষ্টীকরণ জমা করতে হবে।

অংশগ্রহণে আগ্রহী যে কোনও ভারতীয় নাগরিককে নিজের এন্ট্রির দুই কপি অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর, হিন্দি (প্রশিক্ষণ), রুম নম্বর ৩১৬-সি ও এফএমওডব্লিউ রেলওয়ে অফিস কমপ্লেক্স, তিলক ব্রিজ, আইটিও, নিউ দিল্লি-১১০০০২ ঠিকানায় ৩১ জুলাই, ২০২৬-এর মধ্যে অবশ্যই প্রেরণ করতে হবে। এ সম্পর্কে একটি সিঙ্গল কপি পাওয়া গেলে এন্ট্রি প্রত্যাখ্যান করা হবে। অন্তিম তারিখের পর এন্ট্রি পাওয়া গেলে মন্ত্রকের দ্বারা সেটি বিবেচনা করা হবে না, প্রেস বার্তায় জানান উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande