বর্মা গ্রামে পুলিশের ‘দাবাং’ অভিযানে ১৭ জন আটক, অশান্তি রুখতে কড়া বার্তা হুগলি গ্রামীণ পুলিশ সুপারের
আরামবাগ, ২৭ এপ্রিল (হি.স.): ভোটমুখী বাংলায় অশান্তি রুখতে এবার ‘অ্যাকশন মোড’-এ প্রশাসন। সোমবার সকালে গোঘাটের শাওড়া পঞ্চায়েতের বর্মা গ্রামে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার জেরে সোমবার সন্ধ্যা নামতেই গ্রামজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করল হুগলি গ্রামীণ পুলিশ। বি
গোঘাটের বড়মা তে পুলিশি অভিযান


আরামবাগ, ২৭ এপ্রিল (হি.স.): ভোটমুখী বাংলায় অশান্তি রুখতে এবার ‘অ্যাকশন মোড’-এ প্রশাসন। সোমবার সকালে গোঘাটের শাওড়া পঞ্চায়েতের বর্মা গ্রামে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার জেরে সোমবার সন্ধ্যা নামতেই গ্রামজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করল হুগলি গ্রামীণ পুলিশ। বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে গ্রামে ঢুকে ‘দাবাং’ অভিযানে নামলেন স্বয়ং পুলিশ সুপার।

এই অভিযানে এখনও পর্যন্ত এক মহিলাসহ মোট ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে বর্মা গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে আচমকাই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েক জন আহত হওয়ায় এলাকা দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সকাল থেকেই গ্রামে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে ঘটনার গুরুত্ব বুঝে এবং নতুন করে অশান্তি এড়াতে সন্ধ্যা হতেই গ্রামে চিরুনি তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। পুলিশের একাধিক টিম বাড়ি বাড়ি গিয়ে সন্দেহভাজনদের খোঁজ শুরু করে।

​এদিনের অভিযানে সশরীরে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন হুগলি গ্রামীণ পুলিশ সুপার। পুলিশ সুপার স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য হলো শান্তি বজায় রাখা। কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বরদাস্ত করা হবে না। দলমত নির্বিশেষে কেউ যদি অশান্তির সঙ্গে যুক্ত থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন।

​পুলিশের এই কড়া অভিযানের জেরে বর্মা গ্রামে বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে প্রশাসনের দাবি, পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো ঝামেলার সূত্রপাত না হয়, তার জন্য এলাকায় নজরদারি এবং পুলিশি টহল আরও জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনের মুখে পুলিশের এই কঠোর অবস্থান কার্যত গোটা জেলার দুষ্কৃতীদের কাছে এক বড় সতর্কবার্তা বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande