নিয়মিতকরণ ও পেনশন বৃদ্ধির দাবিতে আগরতলায় অঙ্গনওয়াড়ী কর্মীদের মিছিল ও ডেপুটেশন
আগরতলা, ২৮ এপ্রিল (হি.স.) : নিয়মিতকরণ, বর্ধিত পেনশন ও সরকারি কর্মীর মর্যাদাসহ একাধিক দাবিতে ফের রাজপথে নামলেন অঙ্গনওয়াড়ী কর্মী ও সহায়িকারা। মঙ্গলবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করে রাজধানী আগরতলায় মিছিল করে সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দফতরের অধিকর্
মিছিল ও ডেপুটেশন


আগরতলা, ২৮ এপ্রিল (হি.স.) : নিয়মিতকরণ, বর্ধিত পেনশন ও সরকারি কর্মীর মর্যাদাসহ একাধিক দাবিতে ফের রাজপথে নামলেন অঙ্গনওয়াড়ী কর্মী ও সহায়িকারা। মঙ্গলবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করে রাজধানী আগরতলায় মিছিল করে সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দফতরের অধিকর্তার কাছে ডেপুটেশন প্রদান করে ত্রিপুরা অঙ্গনওয়াড়ী কর্মী ও সহায়িকা ঐক্য সমিতি।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের বিভিন্ন দাবিকে সামনে রেখে আন্দোলন চালিয়ে আসছে সমিতি। তাঁদের মূল দাবির মধ্যে রয়েছে—অঙ্গনওয়াড়ী কর্মী ও সহায়িকাদের চাকরি নিয়মিতকরণ, পেনশন কর্মীদের জন্য ১০ হাজার টাকা এবং সহায়িকাদের জন্য ৭ হাজার টাকা নির্ধারণ, সরকারি কর্মীর মর্যাদা প্রদান এবং সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী গ্র্যাচুইটি চালু করা।

এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মন। তিনি বলেন, অঙ্গনওয়াড়ী কর্মী ও সহায়িকারা শুধু প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত নন, পাশাপাশি খাদ্য সুরক্ষা আইন ও শিক্ষা অধিকার আইনের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। সমাজের শিশু ও মাতৃসুরক্ষার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অনস্বীকার্য। অথচ তারাই দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনা ও অবহেলার শিকার হচ্ছেন। সরকারের এই উদাসীন মনোভাব অত্যন্ত দুঃখজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও জানান, অঙ্গনওয়াড়ী কর্মী ও সহায়িকাদের ন্যায্য দাবিগুলি দফতরের অধিকর্তার মাধ্যমে সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। দ্রুত এই সমস্যাগুলির সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবেন তাঁরা।

এদিন সমিতির ডাকে রাজধানী আগরতলায় মিছিল করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিক্রমা করে সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দফতরের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরবর্তীতে মিছিল থেকে একটি প্রতিনিধিদল অধিকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের দাবিসমূহ সম্বলিত ডেপুটেশন জমা দেন। সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande