৫ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের ধর্মঘটে হিমাচলের অ্যাম্বুলেন্স কর্মীরা, পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা
শিমলা, ৩ এপ্রিল (হি.স.): হিমাচল প্রদেশে ১০৮ ও ১০২ অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা আগামী এক সপ্তাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শ্রমিক সংগঠন সিটুর সঙ্গে যুক্ত অ্যাম্বুলেন্স কর্মীদের ইউনিয়ন ৫ এপ্রিল সন্ধ্যা ৮টা থেকে ১১ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত ধর্মঘটে যাওয়া
৫ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের ধর্মঘটে হিমাচলের অ্যাম্বুলেন্স কর্মীরা, পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা


শিমলা, ৩ এপ্রিল (হি.স.): হিমাচল প্রদেশে ১০৮ ও ১০২ অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা আগামী এক সপ্তাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শ্রমিক সংগঠন সিটুর সঙ্গে যুক্ত অ্যাম্বুলেন্স কর্মীদের ইউনিয়ন ৫ এপ্রিল সন্ধ্যা ৮টা থেকে ১১ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত ধর্মঘটে যাওয়ার ঘোষণা করেছে।

ইউনিয়নের দাবি, ন্যাশনাল হেলথ মিশন (এনএইচএম) ও মেড সোয়ান ফাউন্ডেশনের নীতির প্রতিবাদেই এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে।

ইউনিয়নের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বালক রাম জানান, দীর্ঘদিন ধরেই অ্যাম্বুলেন্স কর্মীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি প্রতিদিন প্রায় ১২ ঘণ্টা কাজ করেও ওভারটাইমের কোনও পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না কর্মীরা।

ইউনিয়নের আরও অভিযোগ, হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্ট, লেবার কোর্ট, সিজেএম কোর্ট (শিমলা) ও শ্রম দফতরের একাধিক নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বছরের পর বছর পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হয়নি। ফলে কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। ধর্মঘটের ঘোষণার পাশাপাশি ইউনিয়ন তাদের একাধিক দাবিও সামনে এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে বরখাস্ত কর্মীদের পুনর্বহাল, অ্যাম্বুলেন্সের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও বীমা ব্যবস্থার উন্নতি, এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এছাড়া অসুস্থতার সময় পূর্ণ বেতন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম মজুরি প্রদান এবং ইপিএফ ও ইএসআই সংক্রান্ত ত্রুটি দ্রুত সংশোধনের দাবিও জানানো হয়েছে।

ইউনিয়নের বক্তব্য, সরকার যদি ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব এবং পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা যাবে। অন্যদিকে, এই ধর্মঘটের ফলে জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকায় রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছে দিতে ১০৮ ও ১০২ অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে ধর্মঘট চললে গুরুতর রোগীদের ভোগান্তি বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande