কোচবিহারের সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলকে নিশানা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর
কোচবিহার, ৫ এপ্রিল (হি.স.): ''বিজয় সংকল্প সভা''য় যোগ দিতে রবিবার বিকেলে কোচবিহার রাসমেলা ময়দানে সভামঞ্চে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন সবাইকে নমস্কার জানিয়ে বক্তৃতা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, কিছু দিন আগে রাজধানী
কোচবিহারের সভামঞ্চ থেকে তৃণমূলকে নিশানা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর


কোচবিহার, ৫ এপ্রিল (হি.স.): 'বিজয় সংকল্প সভা'য় যোগ দিতে রবিবার বিকেলে কোচবিহার রাসমেলা ময়দানে সভামঞ্চে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন সবাইকে নমস্কার জানিয়ে বক্তৃতা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, কিছু দিন আগে রাজধানী কলকাতার ব্রিগেড থেকে বাংলায় পরিবর্তন মহা অভিযানের সূচনা করেছিলাম। ওই ঐতিহাসিক ছবি, জনসমুদ্র, মানুষের উৎসাহ, উন্মাদনা দেখে গোটা তৃণমূল সিন্ডিকেট ঘাবড়ে গিয়েছে। আর আজ দেখতে পাচ্ছি, ব্রিগেডের বিউগলে কোচবিহারে সিলমোহর পড়ে গেল। তৃণমূলের পাপের ঘড়া পূর্ণ। বাংলায় একটাই রব, পাল্টানো দরকার, তাই বিজেপি সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবার বাংলায় একদিকে তৃণমূলের আতঙ্ক, অন্য দিকে বিজেপি-র ভরসা আছে। তৃণমূলের কাটমানি ও দুর্নীতির ভয়, অন্য দিকে বিজেপির উন্নয়ন| নিজের মাটিতে মাথা উঁচু করে বাঁচার ভরসা জোগাতে রয়েছে বিজেপি।

কোচবিহারের সভায় প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারীদের ঠাঁই দিয়েছে তৃণমূল। কিন্তু বিজেপি এই অনুপ্রবেশকারীদের আটকাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সমস্ত অনুপ্রবেশকারীকে বাংলা থেকে বের করবে বিজেপি। সুশাসনকে সঙ্গী করে আত্মনির্ভর বাংলা গড়ার ডাক দেন মোদী। তিনি বলেন, ভোটের দিন তৃণমূলের গুন্ডারা যতই ভয় দেখাক, আইনের উপরে ভরসা রাখবেন। এই ভোটে বাংলা থেকে ভয় পালাবে। বিজেপির মহাজয়ে ভরসা জাগবে।

নরেন্দ্র মোদী বলেন, একদিকে বেকারত্ব, পলায়ন, অন্য দিকে, সুশাসন, রোজগার এবং আত্মনির্ভর বাংলার ভরসা। আপনাদের আর একটি কথা বলব, ভোটদানের দিন তৃণমূলের গুন্ডারা যতই ভয় দেখাক, আইনের উপর ভরসা রাখুন। নির্বাচনে বাংলা থেকে আতঙ্ক পালিয়ে যাবে। ভরসা জেগে উঠবে। আমি কথা দিচ্ছি, নির্বাচনের পর এদের পাপের হিসেব হবে। ধরে ধরে হিসেব নেওয়া হবে। ৪ মে-র পর আইন নিজের কাজ করবে। যত বড়ই গুন্ডা হোক না কেন, এবার ন্যায় হবে।

মালদায় এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা নিয়ে সরব হলেন মোদী। তিনি বলেন, গোটা দেশ দেখেছে, কী ভাবে বিচারকদের আটকে রাখা হয়েছিল। তৃণমূলের শাসনে বিচারকেরাও রেহাই পান না। কালিয়াচকের ঘটনা তৃণমূলের নির্মম সরকারের মহাজঙ্গলরাজের উদাহরণ। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সংযোজন, সরকার বিচারকদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, তা হলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ




 

 rajesh pande