ধর্মনগর উপনির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা, নগদ অর্থ বিলির অভিযোগে চাঞ্চল্য
ধর্মনগর (ত্রিপুরা), ৫ এপ্রিল (হি.স.) : ৫৬ -ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তর ত্রিপুরার রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এরই মধ্যে কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধ
নগদ টাকা বিলির অভিযোগ


ধর্মনগর (ত্রিপুরা), ৫ এপ্রিল (হি.স.) : ৫৬ -ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তর ত্রিপুরার রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এরই মধ্যে কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোটারদের মধ্যে নগদ অর্থ বিলির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, যা ঘিরে এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ধর্মনগর মহকুমার অন্তর্গত আলগাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭ নম্বর বুথের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মোশার টিলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, রবিবার সন্ধ্যায় কয়েকজন ব্যক্তি এলাকায় এসে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নগদ অর্থ বিতরণ করেন। তাদের হাতে কংগ্রেসের দলীয় পতাকা ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে।

গ্রামবাসীদের বক্তব্য, ওই ব্যক্তিরা ভোটারদের নির্দিষ্ট এক প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন এবং অর্থকে প্রলোভন হিসেবে ব্যবহার করেন। এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কলুষিত করছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করছে।

যদিও অভিযোগের বিষয়ে কংগ্রেসের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। দলীয় নেতৃত্বের নীরবতা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে।

অন্যদিকে, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সূত্রের খবর। তাদের দাবি, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর এবং অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত করা উচিত। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপও দাবি করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা।

উল্লেখ্য, আগামী ৯ এপ্রিল ধর্মনগর বিধানসভা উপনির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেই এমন অভিযোগ সামনে আসায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande