
গুয়াহাটি, ৯ এপ্রিল (হি.স.) : ষোড়শ অসম বিধানসভা নির্বাচনে এ পর্যন্ত রেকর্ড সংখ্যক ভোটদান হয়েছে। বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত রাজ্যের ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৮৪.৪২ শতাংশ। রাত পর্যন্ত সব কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ তথ্য আসার পর এই হার আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৮২.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছিল। সেই তুলনায় এবার আগের রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এ খবর লেখা পর্যন্ত বহু কেন্দ্রে ভোটদান চলছে।
উল্লেখ্য, সকাল সাতটা (০৭:০০) থেকে ভোটগ্ৰহণ শুরু হওয়ার দুই-ঘণ্টা পর, সকাল নয়টা (০৯:০০) পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ১৭.৮৭ শতাংশ। এর পর ১১টা পর্যন্ত ভোটদান রেকৰ্ড হয়েছিল ৩৮.৯২ শতাংশ। ছয়-ঘণ্টা পর বেলা একটা (০১:০০) পৰ্যন্ত ভোটদান হয়েছিল ৫৯.৬৩ শতাংশ। তিনটা পর্যন্ত ভোটের হার ছিল ৭৫.৯১ শতাংশ।
বরপেটা, বঙাইগাঁও, দরং, ধুবড়ি, গোয়ালপাড়া এবং দক্ষিণ শালমারা-মানকাচর জেলায় ৯০ শতাংশ বা তার বেশি ভোটগ্রহণ হয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ শালমারা-মানকাচর জেলায় সর্বাধিক ৯৪.০৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী সকাল সাতটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত জেলা-ভিত্তিক ভোটদানের হার যথাক্রমে - বাজালিতে ৮৬.৮৯ শতাংশ, বাকসায় ৮২.৫১ শতাংশ, বরপেটায় ৯১.৯২ শতাংশ, বিশ্বনাথে ৮৩.৭৬ শতাংশ, বঙাইগাঁওয়ে ৯১.৭৭ শতাংশ, কাছাড়ে ৮২.১৯ শতাংশ, শ্রীভূমিতে ৮৩.৩৫ শতাংশ, হাইলাকান্দিতে ৭৮.৯০ শতাংশ, চড়াইদেওয়ে ৮২.৯১ শতাংশ, চিরাং-এ ৮৬.০৬ শতাংশ, দরং-এ ৯০.৯১ শতাংশ, ধেমাজিতে ৭৯.০৪ শতাংশ, ধুবড়িতে ৯০.৬৩ শতাংশ, ডিব্রুগড়ে ৮০.০২ শতাংশ, ডিমা হাসাওয়ে ৭৯.৯৬ শতাংশ, গোয়ালপাড়ায়ে ৯১.৩৪ শতাংশ, গোলাঘাটে ৮০.৯৬ শতাংশ, হোজাইয়ে ৮৭.১৩ শতাংশ, যোরহাটে ৭৯.৯৩ শতাংশ, কামরূপ (মেট্রো)-এ ৭৬.৪১ শতাংশ, কামরূপ (গ্রামীণ)-এ ৮৬.৮৭ শতাংশ, কার্বি আংলং-এ ৭৫.৪২ শতাংশ, পশ্চিম কার্বি আংলং-এ ৭২.৯৪% শতাংশ, কোকরাঝাড়ে ৮৬.৫৯ শতাংশ, লখিমপুরে ৮৪.৪১ শতাংশ, মাজুলিতে ৮৩.৬৭ শতাংশ, মরিগাঁওয়ে ৮৮.৯৫ শতাংশ, নগাঁওয়ে ৮৭.১৮ শতাংশ, নলবাড়িতে ৮৬.৮৯ শতাংশ, শিবসাগরে ৮৩.৩০ শতাংশ, শোণিতপুরে ৮২.২৩ শতাংশ, দক্ষিণ শালমারা-মানকাচরে ৯৪.০৮ শতাংশ, তামুলপুরে ৮২.০০ শতাংশ, তিনসুকিয়ায় ৭৮.৮৫ শতাংশ এবং ওদালগুড়িতে ৮২.২৯ শতাংশ।
প্রসঙ্গত এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুয়ায়ী, এবারের নির্বাচনে মহিলা, তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণ ছিল ব্যাপক।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস