
দুর্গাপুর, ১৪ মে (হি.স.) : নির্বাচন শেষ, সরকার পরিবর্তনও হয়ে গিয়েছে। তবুও দুর্গাপুর আদালত চত্বর সংলগ্ন এলাকায় এখনও রয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনি প্রচার হোর্ডিং। সরকারি জায়গায় রাজনৈতিক প্রচার সংক্রান্ত এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিল্পশহরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপন সংস্থাকে ব্ল্যাকলিস্ট করার দাবি তুলে এডিডিএ কমিশনারকে চিঠি দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
জানা গিয়েছে, গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং ৪ মে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের পর্ব শেষ হলেও দুর্গাপুর আদালত চত্বরে এখনও ঝুলছে তৃণমূলের একাধিক প্রচার হোর্ডিং। আদালতের ৫০ মিটারের মধ্যেই থাকা ওই হোর্ডিংগুলিতে দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম, গলসি, পাণ্ডবেশ্বর ও রানিগঞ্জ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীদের ছবি-সহ ভোটদানের প্রচার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, হোর্ডিংগুলি যে জায়গায় লাগানো হয়েছে তা এডিডিএ-র অধীনস্থ। ওই জায়গা একটি বেসরকারি বিজ্ঞাপন সংস্থাকে বরাত দেওয়া হয়েছিল। এরপরই প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি জায়গায় কীভাবে রাজনৈতিক প্রচারের হোর্ডিং লাগানোর অনুমতি দেওয়া হল।
শুক্রবার দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই বলেন, “পূর্বতন তৃণমূল সরকার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। আইনের শাসনের বদলে শাসকের আইন চলত। মানুষ নির্বাচনে তার জবাব দিয়েছে।”
যদিও তৃণমূল আইনজীবী সেলের পক্ষ থেকে দুর্গাদাস গঙ্গোপাধ্যায় জানান, “হোর্ডিংগুলি খুব শীঘ্রই খুলে নেওয়া হবে।”
দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এডিডিএ-র বরাত পাওয়া ওই বিজ্ঞাপন সংস্থাকে ব্ল্যাকলিস্ট করার দাবি জানানো হবে। কমিশনারকে চিঠি দিচ্ছি।”
হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা