পুনর্নির্বাচনেও রেকর্ড ভোটদান: ১৫টি বুথে নির্বিঘ্নে মিটল ভোটগ্রহণ, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা অব্যাহত
কলকাতা, ২ মে (হি. স.): নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ১৫টি বুথে শনিবার পুনর্নির্বাচন সম্পন্ন হলো। ১৪৩ নম্বর ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের ৪টি বুথ এবং ১৪২ নম্বর মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের
পুনর্নির্বাচনের এক খন্ড চিত্র দক্ষিণ ২৪ পরগণা'তে


কলকাতা, ২ মে (হি. স.): নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ১৫টি বুথে শনিবার পুনর্নির্বাচন সম্পন্ন হলো। ১৪৩ নম্বর ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের ৪টি বুথ এবং ১৪২ নম্বর মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের ১১টি বুথে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল ৭টা থেকেই শুরু হয় ভোটগ্রহণ। তবে দ্বিতীয় দফার মূল ভোটের মাত্র দু'দিনের ব্যবধানে কেন এই পুনর্নির্বাচন, তা নিয়ে ভোটার ও রাজনৈতিক মহলের একাংশের মধ্যে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে।

এদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুই বিধানসভা মিলিয়ে গড়ে ৮৬.৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে। মগরাহাট পশ্চিমের যে বুথগুলোতে ভোট নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে উত্তর ইয়ারপুর এফপি স্কুল (বুথ ৪৬), নাজরা এফপি স্কুল (বুথ ১২৬, ১২৭), দেউলা এফপি স্কুল (বুথ ১২৮), ঘোলা নোয়াপাড়া গার্লস হাই স্কুল (বুথ ১৪২), একতারা মলয়া এফপি স্কুল (বুথ ২১৪, ২১৫, ২১৬) এবং বাহিরপুয়া কুরকুরিয়া এফপি স্কুল (বুথ ২৩০, ২৩১, ২৩২)। অন্যদিকে, ডায়মন্ড হারবারে বাগদা জুনিয়র হাই স্কুল (বুথ ১১৭), চাঁদা এফপি স্কুল (বুথ ১৭৯), হরিদেবপুর এফপি স্কুল (বুথ ১৯৪) এবং রায়নগর এফপি স্কুল (বুথ ২৪৩)-এ পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট মিটে যাওয়ার পর বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন এই নির্দেশ দিলেও, ভোটারদের বড় অংশই পুনর্নির্বাচনের সঠিক কারণ নিয়ে বিভ্রান্ত। মগরাহাট পশ্চিমের ১২৬ নম্বর বুথে ভাইঝির কাঁধে ভর দিয়ে ভোট দিতে আসা প্রতিবন্ধী আয়সা খাতুন বলেন, “২৯ তারিখে একবার ভোট দিয়েছিলাম, কোনও সমস্যা হয়নি। হঠাৎ শুনলাম আবার ভোট হবে, তাই আবার এলাম।” একই সুর শোনা গেল দেউলা অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২৮ নম্বর বুথের এক ভোটারের গলাতেও। তিনি জানান, ওই বুথে বরাবর শান্তিপূর্ণ ভোট হয়, তবুও কেন দ্বিতীয়বার ভোট দিতে হলো তা তাঁদের বোধগম্য নয়।

এদিন নির্বাচনী পর্যবেক্ষক বুথ পরিদর্শন করলেও পুনর্নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে মন্তব্য করেননি। এদিকে, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের প্রচার এবং তথ্য পরিবেশন নিয়েও জটিলতা দেখা দিয়েছে। দিনভর প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর যে তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে, তাতে বুথের সংখ্যা নিয়ে তৈরি হওয়া ধন্দ রাজনৈতিক মহলে পারস্পরিক চাপানউতোর বাড়িয়ে দিয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande