সামান্য বৃষ্টিতেই জলমগ্ন উত্তর হাওড়া, প্রশাসনের নিকাশি ব্যবস্থার দিকে আঙুল তুললেন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা
কলকাতা, ২ মে (হি. স.): উত্তর হাওড়ায় বৃষ্টির জলে নাজেহাল জনজীবন। এ নিয়ে ফের প্রশ্নের মুখে পড়ল এলাকার জল নিকাশি ব্যবস্থা। সামান্য বৃষ্টিতেই ফের জলমগ্ন হয়ে পড়েছে উত্তর হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। দীর্ঘদিনের এই সমস্যায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে লিল
জলমগ্ন হাওড়ার নিত্য চিত্র


কলকাতা, ২ মে (হি. স.): উত্তর হাওড়ায় বৃষ্টির জলে নাজেহাল জনজীবন। এ নিয়ে ফের প্রশ্নের মুখে পড়ল এলাকার জল নিকাশি ব্যবস্থা। সামান্য বৃষ্টিতেই ফের জলমগ্ন হয়ে পড়েছে উত্তর হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। দীর্ঘদিনের এই সমস্যায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে লিলুয়ার মীরপাড়া এলাকায় হাঁটু সমান জল জমে থাকায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

​স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, এই দুর্ভোগ নতুন নয়। বছরের পর বছর বর্ষা এলেই একই ছবি ফিরে আসে, অথচ কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে পড়ে, বাধ্য হয়ে সেই নোংরা জল মাড়িয়েই নিত্যদিনের কাজে বেরোতে হয় সকলকে। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে স্কুলপড়ুয়ারা। বইখাতা নিয়ে জল ভেঙে স্কুলে যেতে গিয়ে প্রায়ই বিপাকে পড়তে হচ্ছে তাদের। শুধু মীরপাড়া নয়, উত্তর হাওড়ার সীতানাথ বোস লেন-সহ একাধিক এলাকাতেও একই চিত্র। কোথাও কোথাও আবার জল ঢুকে পড়ছে বাড়ির ভিতরেও। ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

​স্থানীয়দের একাংশের দাবি, নিকাশি ব্যবস্থার চরম দুর্বলতাই এই সমস্যার মূল কারণ। অল্প বৃষ্টিতেই জল জমে থাকে প্রায় এক সপ্তাহ। ভারী বৃষ্টির ক্ষেত্রে সেই জল নামতে সময় লাগে ১০ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত। একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি বলেই অভিযোগ।

​এদিকে, পুরসভা সূত্রে খবর, গত বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন রাতের বৃষ্টির জেরে একাধিক এলাকায় জল জমে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ১৮টি পাম্প চালানো হয়। অনেক জায়গায় জল নামানো সম্ভব হলেও এখনও কিছু নিচু এলাকায় জল জমে রয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত পাম্প বসিয়ে জল নিষ্কাশনের কাজ চলছে।

উল্লেখ্য, মীরপাড়া এলাকা বালি পুরসভার অন্তর্গত হলেও উত্তর হাওড়া এবং তৎসংলগ্ন অঞ্চলের সামগ্রিক জলনিকাশি সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন। তবে কবে মিলবে দীর্ঘস্থায়ী সমাধান, সেই প্রশ্নেই উদ্বিগ্ন স্থানীয় বাসিন্দারা।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande