জলে ভাসানো হল কলকাতায় ভারতীয় নৌসেনার প্রথম এনজিওপিভি ‘সংঘমিত্রা’
কলকাতা, ২১ মে (হি.স.): ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করল গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই)। ভারতীয় নৌসেনার জন্য তৈরি প্রথম ‘নেক্সট জেনারেশন অফশোর পেট্রোল ভেসেল’ (এনজি
‘সংঘমিত্রা’-র জলাবতারণ


কলকাতা, ২১ মে (হি.স.): ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করল গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই)। ভারতীয় নৌসেনার জন্য তৈরি প্রথম ‘নেক্সট জেনারেশন অফশোর পেট্রোল ভেসেল’ (এনজিওপিভি) ‘সংঘমিত্রা’-কে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জলে ভাসানো হল। কলকাতার জিআরএসই শিপইয়ার্ডে ঐতিহ্যবাহী বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই জলাবতারণ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।-

এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ভারতীয় নৌসেনার পদস্থ আধিকারিক, প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ এবং জিআরএসই-র উচ্চপদস্থ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। যুদ্ধজাহাজটির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন ভাইস অ্যাডমিরাল সঞ্জয় বাৎস্যায়নের পত্নী সরিতা বাৎস্যায়ন।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘সংঘমিত্রা’-র এই সফল লঞ্চ ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ অভিযানের পথে একটি বড় সাফল্য। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই যুদ্ধজাহাজ আগামী দিনে সামুদ্রিক নজরদারি, উপকূলীয় নিরাপত্তা এবং কৌশলগত অভিযানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এই এনজিওপিভি হলো একটি অত্যাধুনিক বহুমুখী যুদ্ধজাহাজ। এটিকে দূরপাল্লার সামুদ্রিক টহলদারি, চোরাচালান ও জলদস্যুতা নিয়ন্ত্রণ, উপকূলীয় নজরদারি এবং সন্ধান ও উদ্ধার (সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ) অভিযানের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি যেকোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবং জরুরি ত্রাণ কার্যেও এটি কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম হবে।

জিআরএসই-র এই সাফল্য আবারও কলকাতাকে দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদন মানচিত্রে এক অগ্রণী স্থানে নিয়ে এল। এই গৌরবময় অর্জন শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, গোটা দেশের জন্যই অত্যন্ত গর্বের বিষয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande