ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ভাঙলে দায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর: মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক
কলকাতা, ৩ মে (হি. স.) : ভোট গণনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ নিয়ে ভোটগণনার আগে নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। রবিবার মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় ভেঙে কেউ যদি গণনা কেন
ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ভাঙলে দায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর: মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক


কলকাতা, ৩ মে (হি. স.) : ভোট গণনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ নিয়ে ভোটগণনার আগে নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। রবিবার মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় ভেঙে কেউ যদি গণনা কেন্দ্রে ঢুকে পড়ে বা কোনও সামগ্রী ভিতরে পৌঁছায়, তার সম্পূর্ণ দায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর।উল্লেখ্য, রবিবার রাতে সমস্ত অবজার্ভার, জেলা নির্বাচন আধিকারিক এবং রিটার্নিং অফিসারদের নিয়ে বৈঠক করেন মনোজ কুমার আগরওয়াল। ইতিমধ্যেই রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের কাছ থেকে লিখিত আন্ডারটেকিং নেওয়া হয়েছে যে, তাঁরা সমস্ত নিয়মাবলি সম্পর্কে অবহিত। কোনও ত্রুটি ধরা পড়লে তাঁদের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নিতে পারবে ভারতের নির্বাচন কমিশন।

এদিকে, রাজ্যের অধিকাংশ জেলার নির্বাচন আধিকারিক-দের সঙ্গে কথা হয়েছে বলেও জানান মনোজ কুমার আগরওয়াল। গণনা কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় ১৬৩ ধারা বলবৎ রয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি হলে তৎক্ষণাৎ এই ধারার ব্যাপ্তি আরও বাড়ানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, বিজয় মিছিল নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। জেলাশাসকদের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, গণনার দিন প্রায়ই অশান্তির ঘটনা ঘটে। সেই প্রেক্ষাপটে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন।

প্রসঙ্গতঃ ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচন এবং সেখানে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, অজয় পাল শর্মা দায়িত্বে থাকবেন কি না, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। কমিশনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

ফলতা-কাণ্ড নিয়ে তিনি বলেন, ৪ মে ফলপ্রকাশের পর ওয়েবকাস্টিং-এর সমস্ত ফুটেজ খতিয়ে দেখা হবে।

সব মিলিয়ে নিরাপত্তার পাশাপাশি পরিকাঠামোগত প্রস্তুতিতেও জোর দিয়েছে কমিশন। গণনার দিনে রাজ্যে মোতায়েন থাকবে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রায় প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে গড়ে দুই কোম্পানি করে বাহিনী রাখা হবে।

এ ছাড়াও ২০২১ সালের লোডশেডিং সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে শিক্ষা নিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়েও বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা এবং সিইএসসি-র সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলেও যাতে গণনা প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন না ঘটে, তার জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রবিবার রাতেই বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধান সচিবের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক-এর।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande