তৃণমূল নেতাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, পালানোর পথে দুর্ঘটনায় আহত ৪
দুর্গাপুর, ১০ জুন (হি.স.) : পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে বুধবার এক নাটকীয় ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করতে এসে তৃণমূল নেতা সন্তোষ পাসোয়ান ও তাঁর ভাই সন্দীপ পাসোয়ানকে জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিয
তৃণমূল নেতাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, পালানোর পথে দুর্ঘটনায় আহত ৪


দুর্গাপুর, ১০ জুন (হি.স.) : পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে বুধবার এক নাটকীয় ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করতে এসে তৃণমূল নেতা সন্তোষ পাসোয়ান ও তাঁর ভাই সন্দীপ পাসোয়ানকে জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে ওই গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়লে অন্তত চারজন আহত হন।

জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত একটি মামলায় আগাম জামিনের আবেদন জানাতে এদিন দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে এসেছিলেন পাণ্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সন্তোষ পাসোয়ান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ভাই সন্দীপ পাসোয়ান ও বাবা প্রকাশ পাসোয়ান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আদালতের কাজ সেরে সিটি সেন্টার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছতেই একদল ব্যক্তি, যার মধ্যে একজন মহিলাও ছিলেন, সন্তোষ ও সন্দীপকে জোরপূর্বক একটি চারচাকা গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন। পরে তাঁদের নিয়ে গাড়িটি দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যায়।

প্রকাশ পাসোয়ান অভিযোগ করেন, তাঁর দুই ছেলেকে বিজেপি কর্মীরা জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘একটি মামলায় জামিন নিতে এসেছিল ওরা। হঠাৎ কয়েকজন এসে গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়।’’

অন্যদিকে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে এক বিজেপি নেত্রী দাবি করেন, সন্তোষ পাসোয়ান ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ-সহ একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতাদের নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়িটি লাউদোহা থানার সবুজনগর এলাকায় দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। ঘটনায় গাড়িতে থাকা সন্তোষ পাসোয়ান-সহ কয়েকজন আহত হন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সন্তোষ ও সন্দীপ পাসোয়ান। তাঁদের দাবি, তাঁরা সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত এবং এলাকায় মন্দির নির্মাণ ও প্রসাদ বিতরণের মতো জনকল্যাণমূলক কাজ করেন। কোনও ধরনের সন্ত্রাস বা অপরাধমূলক কার্যকলাপের সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন তাঁরা। ঘটনার পর এলাকায় পৌঁছে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। অপহরণের অভিযোগ, দুর্ঘটনার কারণ এবং পুরো ঘটনার নেপথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande