অসহায় মহিলাকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৫ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে
ভাঙড়, ১০ জুন (হি. স.): ভাঙড়ের পূর্ব বাটজুলি এলাকায় এক অসহায় মহিলার কাছ থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। বুধবার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারী বৃহস্পতি
অসহায় মহিলাকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৫ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে


ভাঙড়, ১০ জুন (হি. স.): ভাঙড়ের পূর্ব বাটজুলি এলাকায় এক অসহায় মহিলার কাছ থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। বুধবার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগকারী বৃহস্পতি মণ্ডলের দাবি, ২০২০ সালে তাঁর স্বামী বিশ্বজিৎ মণ্ডল একটি পথদুর্ঘটনায় মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি আর্থিক ও সামাজিকভাবে চরম অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়েন। সেই সময় এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য জহিরুল ইসলাম সরদার তাঁকে বিভিন্ন সরকারি ও বীমা সংক্রান্ত সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

বৃহস্পতির অভিযোগ, বীমার দাবি নিষ্পত্তি হওয়ার পর ২০২৩ সালে তিনি প্রায় ৮ লক্ষ টাকা পান। ওই টাকা তাঁর এবং তাঁর ছেলের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৪ লক্ষ টাকা করে জমা ছিল। অভিযোগ, জহিরুল ইসলাম সরদার কৌশলে সেই ৮ লক্ষ টাকা নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে নেন। বৃহস্পতি মণ্ডলের দাবি, এই লেনদেন সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না।

এছাড়াও, তাঁর জন্য একটি পাকা ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আরও প্রায় ৭ লক্ষ টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সম্প্রতি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আপডেট করতে গিয়ে তিনি দেখতে পান যে তাঁর অ্যাকাউন্টে আর কোনও টাকা নেই। এরপরই বিষয়টি সামনে আসে।

বৃহস্পতি মণ্ডলের আরও অভিযোগ, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় জহিরুল ইসলাম সরদার নমিনি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। তবে কীভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা অভিযুক্তের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হলো, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য জহিরুল ইসলাম সরদার টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, উভয় পক্ষের মধ্যে টাকা নেওয়া ও পরবর্তীতে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে একটি চুক্তি ছিল।

পাশাপাশি বৃহস্পতি মণ্ডলের জন্য একটি ঘর নির্মাণের কাজও চলছিল বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, “আমি টাকা নিয়েছি, তবে তা ফেরত দেওয়ার কথা ছিল।”

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande