বাংলাদেশে রামের মূর্তি তৈরি-বিরোধী মানববন্ধনে বাধা ও স্থগিতের অভিযোগ, শুক্রবার মহাসমাবেশের ডাক
।। রাজীব দে ।। রংপুর (বাংলাদেশ), ১০ জুন (হি.স.) : রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলার অন্তর্গত পলাশবাড়িতে ৮১ ফুট উঁচু রামের মূর্তি তৈরির প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রশাসনিক বাধা ও স্থগিতের অভিযোগে আগামীকাল শুক্রবার মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। পলা
প্রতিবাদী সমাবেশ


।। রাজীব দে ।।

রংপুর (বাংলাদেশ), ১০ জুন (হি.স.) : রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলার অন্তর্গত পলাশবাড়িতে ৮১ ফুট উঁচু রামের মূর্তি তৈরির প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রশাসনিক বাধা ও স্থগিতের অভিযোগে আগামীকাল শুক্রবার মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে।

পলাশবাড়িতে বিতর্কিত ৮১ ফুট উঁচু রামের মূর্তি তৈরির প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত একটি শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি প্রশাসনিক বাধা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে স্থগিত করতে বাধ্য করা হয়েছে বলে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ জানিয়েছেন আয়োজকরা।

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ বুধবার নির্ধারিত সময়ে কর্মসূচিটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কর্মসূচি শুরুর আগেই স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের নানামুখী চাপ ও বাধার মুখে পড়ে তাঁরা কর্মসূচিটি সাময়িকভাবে স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছেন।

বিক্ষুব্ধ আয়োজক ও প্রতিবাদকারীদের বক্তব্য, ভারতীয় আধিপত্যবাদ, উত্তরবঙ্গকে ঘিরে নানামুখী কথিত ষড়যন্ত্র এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিতর্কিত রামের মূর্তি তৈরির প্রতিবাদে তাঁরা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে এই মানববন্ধনের আয়োজন করেছিলেন। দেশের নাগরিক হিসেবে শান্তিপূর্ণভাবে মতপ্রকাশের যে সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে, এই বাধাদানের মাধ্যমে তা চরমভাবে খর্ব করা হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।

এ বিষয়ে আন্দোলনের সমন্বয়ক ও আয়োজক নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আমরা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে চেয়েছিলাম। একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে এভাবে বাধা দেওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক। তবে কোনও বাধা আমাদের এই ন্যায়সংগত আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে পারবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা আমাদের অব্যাহত থাকবে।’

আগামীকাল শুক্রবার মহাসমাবেশের ঘোষণা :

প্রশাসনিক বাধার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আয়োজক কমিটি তাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তাঁরা জানান, আগামীকাল শুক্রবার বৃহত্তর পরিসরে একটি বিশাল জনসমাবেশের আয়োজন করা হবে। আহূত মহাসমাবেশে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাঁদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান ও দাবিগুলো সর্বসাধারণের সামনে বিশদভাবে তুলে ধরা হবে।

এদিকে, মানববন্ধন কর্মসূচি স্থগিত করার পেছনে প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা বা চাপের বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংগ্রাম ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আপসহীন এই আন্দোলনকে বেগবান করতে আগামীকাল শুক্রবারের জনসমাবেশে সর্বস্তরের জনতা এবং দেশপ্রেমিক নাগরিকদের দলে দলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande