প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ বিচারকের
কোচবিহার, ১৮ জুন (হি. স.) : ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে নেতা উদয়ন গুহকে ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিল দিনহাটা মহকুমা আদালত। বৃহস্পতিবার কড়া নিরাপত্তার
উদয়ন গুহ


কোচবিহার, ১৮ জুন (হি. স.) : ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে নেতা উদয়ন গুহকে ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিল দিনহাটা মহকুমা আদালত। বৃহস্পতিবার কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়েছিল।

কোচবিহার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে উদয়নবাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। সরকারি আইনজীবীদের যুক্তি ছিল, এই মামলার বহু গুরুত্বপূর্ণ দিক এখনও খতিয়ে দেখা বাকি রয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করা প্রয়োজন। অন্যদিকে, জামিনের সওয়াল করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। উভয় পক্ষের দীর্ঘ বক্তব্য ও দালিলিক যুক্তি শোনার পর বিচারক শেষ পর্যন্ত ৭ দিনের পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেন। আগামী ২৫ জুন মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

পুলিশি সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার কলকাতার একটি আবাসন থেকে উদয়ন গুহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর ওই দিন রাতেই কলকাতা থেকে সড়কপথে কড়া পুলিশি পাহারায় তাঁকে উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে নিয়ে রওনা দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সাতসকালে কোচবিহারের দিনহাটা থানায় এসে পৌঁছায় পুলিশের সেই কনভয়। থানায় নিয়ে আসার পর প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রথমে তাঁকে একটি ঘরে বসানো হয়েছিল এবং পরবর্তীতে লকআপে স্থানান্তরিত করা হয়। থানা ও স্থানীয় সূত্রে খবর, দিনহাটা থানার যে লকআপে প্রাক্তন মন্ত্রীকে রাখা হয়েছিল, সেখানে আগে থেকেই বন্দি রয়েছেন তাঁরই এক সময়ের ঘনিষ্ঠ ও পুরনো রাজনৈতিক সহযোগী জয়দীপ ঘোষ। এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েক দিন আগেই জয়দীপকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। বর্তমানে উদয়ন গুহকে নিজেদের হেফাজতে পেয়ে হিংসার ঘটনার নেপথ্যে মূল চক্রান্ত এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের বিষয়ে বিশদ তথ্য জানতে পুলিশি জেরা ও তদন্তের প্রক্রিয়া জোরদার করা হচ্ছে বলে আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande