কামারপুকুরে বিবেকানন্দের মূর্তির পাস থেকে সরানো হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি
হুগলি , ১৮ জুন (হি.স.): কামারপুকুর চটি এলাকায় স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তির পাশে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি স্থান পেয়েছিল। নির্বাচনী বিধি জারি হওয়ার সময় প্রশাসনের পক্ষ থে
কামারপুকুরে বিবেকানন্দের মূর্তির পাস থেকে সরানো হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি


হুগলি , ১৮ জুন (হি.স.): কামারপুকুর চটি এলাকায় স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তির পাশে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি স্থান পেয়েছিল। নির্বাচনী বিধি জারি হওয়ার সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেই ছবিগুলি ঢেকে দেওয়া হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার গোঘাট ২ নম্বর ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে ওই ছবিগুলি সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা হয়।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে গোঘাটের বিজেপি নেত্রী দোলন দাস বলেন, “তৃণমূল নেতারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং স্বামী বিবেকানন্দকে এক আসনে বসানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বাংলার মনীষীদের সম্মান রক্ষার জন্য বিজেপি সর্বদা বদ্ধপরিকর। স্বামী বিবেকানন্দের মতো মহান মনীষীর পাশে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ছবি থাকা উচিত নয়। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।”

তিনি আরও দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষের একাংশ এই ছবি অপসারণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে সেই দাবিরই প্রতিফলন ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন।

যদিও এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের মতে, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বসম্পন্ন স্থানে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ছবি রাখা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই মতভেদ ছিল।

উল্লেখ্য, কামারপুকুর শুধু হুগলি জেলার নয়, সমগ্র বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মস্থান হিসেবে এই এলাকার বিশেষ ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। সেই এলাকায় অবস্থিত স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তির পাশ থেকে রাজনৈতিক নেত্রীর ছবি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগামী দিনে রাজনৈতিক তরজা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande