
কলকাতা, ২ জুন (হি স)। “বিধর্মীদের বা ভিন্ন ধর্মের মানুষদের, ইসলাম ত্যাগী নাস্তিকদের, ইসলাম অবমাননাকারীদের যারা নৃশংসভাবে হাত পা কেটে, গলা কেটে হত্যা করতে পারবে, তারা শেষ বিচারের দিনে কোনওরকম বিচার ছাড়াই শর্টকাটে বেহেস্ত চলে যেতে পারবে ---এই শিক্ষাটা জিহাদি নেতারা মুসলমান কিশোর-তরুণদের বহুকাল থেকে দিচ্ছে।” সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেছেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন।
তিনি লেখেন, “এটি কোরান হাদিসের শিক্ষা। এই কারণে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে, বা মুসলমান অধ্যুষিত এলাকায় ইসলাম ত্যাগীরা, বিধর্মীরা, ইসলাম নিয়ে কোনও প্রশ্ন করা মাত্র খুন হয়ে যায়। এই কারণে যারা নাস্তিক, যারা অমুসলিম, তারা প্রাণ বাঁচাতে ইহুদি খ্রিস্টান হিন্দু বৌদ্ধের দেশে পাড়ি জমায়, সেখানেই বাকি জীবন বাস করে।
এই সেদিন সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুর দেশ ভারতে এক হিন্দু তরুণকে মুসলমান কিছু তরুণ বকরি ঈদের নেমন্তন্ন করেছিল। সেই হিন্দু তরুণ নেমন্তন্ন খেতে এলে তার মুসলমান বন্ধুরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে।
কুপিয়ে হত্যা যে অমুসলিমরা করে না, বা করতে জানে না , তা নয়। কিন্তু তাদের ধর্ম থেকে তারা এই শিক্ষা পায় না। মুশকিল হলো, মুসলমানদের ধর্ম মুসলমানদের নৃশংস হওয়ার, নির্যাতক হওয়ার, হত্যাকারী হওয়ার, সন্ত্রাসী হওয়ার, জিহাদি হওয়ার শিক্ষা দেয়।
যদি মসজিদ মাদ্রাসায়, ওয়াজে, মাহফিলে, ইসলামী পাঠচক্রে, সেন্টারে এই কুশিক্ষা বন্ধ করা না হয়, তাহলে ইসলাম সম্পর্কে মানুষের যে ঘৃণা তৈরি হচ্ছে, তা সারা বিশ্বে এত ব্যাপক আকার নেবে যে মুসলমানদের বিরুদ্ধে মানুষ রুখে দাঁড়াবে। সভ্য বলে এখনও হয়তো তারা সহ্য করছে। কিন্তু সবারই সহ্যের তো একটা সীমা আছে। নাকি নেই?”
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত