সফলভাবে সম্পন্ন বিদ্যা ভারতীর আচার্য সম্মেলন, মিলিত হলেন দক্ষিণবঙ্গের ২০৭ বিদ্যালয়ের প্রধান আচার্যরা
আরামবাগ, ২ জুন (হি.স.) : দক্ষিণবঙ্গের শিক্ষা ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে রইল তাজপুর সরস্বতী শিশু মন্দিরে আয়োজিত বিদ্যা ভারতীর তিন দিনের আচার্য সম্মেলন। দক্ষিণবঙ্গের বিদ্যা ভারতী পরিচালিত ২০৭টি বিদ্যালয়ের প্রধান আচার্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্
সফলভাবে সমাপ্ত ঘটলো বিদ্যাভারতীর আচার্য সম্মেলনের


আরামবাগ, ২ জুন (হি.স.) : দক্ষিণবঙ্গের শিক্ষা ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে রইল তাজপুর সরস্বতী শিশু মন্দিরে আয়োজিত বিদ্যা ভারতীর তিন দিনের আচার্য সম্মেলন। দক্ষিণবঙ্গের বিদ্যা ভারতী পরিচালিত ২০৭টি বিদ্যালয়ের প্রধান আচার্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের সফল সমাপ্তি ঘটল মঙ্গলবার।

তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বিদ্যালয় পরিচালনার আধুনিক পদ্ধতি, জাতীয় শিক্ষানীতি, শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশ, চরিত্র গঠনমূলক শিক্ষা এবং সমাজমুখী শিক্ষার প্রসার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিভিন্ন জেলার প্রধান আচার্যরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং বিদ্যা ভারতীর আদর্শকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে একাধিক কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ১১ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা জানানো হয়। অতিথিদের হাত থেকে স্মারক ও সম্মাননা গ্রহণ করে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনজন বিশিষ্ট শিল্পপতি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গোঘাটের বিধায়ক প্রশান্ত অধিকারী এবং কোতুলপুরের বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত দাস। বক্তারা বিদ্যা ভারতীর শিক্ষা আন্দোলনের প্রশংসা করে বলেন, পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি মূল্যবোধ, দেশপ্রেম ও মানবিকতার বিকাশেও এই প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সম্মেলনের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন তাজপুর সরস্বতী শিশু মন্দিরের প্রধান আচার্য নিতাই চন্দ্র নায়েক। তাঁর নেতৃত্বে আবাসন, খাদ্য ব্যবস্থা, আলোচনা পর্ব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ প্রতিটি আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

নিতাই চন্দ্র নায়েক বলেন, “এই সম্মেলন শুধুমাত্র একটি শিক্ষাগত বৈঠক নয়, শিক্ষা, সংস্কার ও মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এটি ছিল এক বৃহৎ চিন্তন শিবির। প্রধান আচার্যদের মতবিনিময়ের মাধ্যমে আগামী দিনের শিক্ষার রূপরেখা নির্ধারণের সুযোগ মিলেছে।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল নয়, বরং চরিত্র গঠন, সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি এবং জাতির প্রতি কর্তব্যবোধ জাগ্রত করা। এই সম্মেলন সেই লক্ষ্যপূরণের পথকে আরও সুদৃঢ় করেছে।”

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষাবিদ, অভিভাবক ও বিশিষ্টজনেরা আয়োজকদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিদ্যা ভারতীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও মূল্যবোধভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বৃহত্তর কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande