
শ্রীভূমি (অসম), ২২ জুন (হি.স.) : দ্বিতীয়বারের জন্য অসম সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি, পার্বত্য অঞ্চল এবং বরাক উপত্যকা উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল আজ সোমবার প্রথমবারের মতো নিজের জেলা শ্রীভূমির জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি বিভাগের জেলা কার্যালয় পরিদর্শন করেথেন। মন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে বিভাগীয় আধিকারিকদের মধ্যে উৎসাহের পরিবেশ বিরাজ করেছে।
জেলার পানীয় জল সরবরাহ, অনাময় ব্যবস্থা, চলমান উন্নয়নমূলক প্রকল্প এবং জনসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে তিনি বিস্তারিত পর্যালোচনা করেন। কার্যালয় পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিভাগীয় আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসে বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি, কাজের গুণগত মান, সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শ্রীভূমি বিভাগের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার মন্দীপ কর, এসডিও (ইনচার্জ) অজয় সেন সহ বিভাগের অন্যান্য আধিকারিকরা। জেলার বিভিন্ন এলাকায় চলমান পানীয় জল প্রকল্প, রক্ষণাবেক্ষণ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মার নেতৃত্বে অসম সরকার মানুষের দোরগোড়ায় উন্নয়ন পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি বিভাগ সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাই প্রতিটি প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা, নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জল নিশ্চিত করা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং আধুনিক জনপরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোনওরকম গাফিলতির সুযোগ অবকাশ নেই।
তিনি আরও বলেন, শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সাধারণ মানুষ যাতে তার প্রকৃত সুফল পান, সেই বিষয়টিকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রশাসন ও বিভাগের আধিকারিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে জনসেবার মান আরও উন্নত করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।
উল্লেখ্য, বিজেপি নেতৃত্বাধীন দ্বিতীয় মেয়াদের রাজ্য সরকারের পরিষদীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজের গৃহজেলা শহর শ্রীভূমির বিভাগীয় কার্যালয়ে তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। অনেকে জানান, মন্ত্রীর সফরের ফলে জেলার পানীয় জল সরবরাহ, স্যানিটেশন ও জনপরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ আরও গতি পাবে এবং সরকারি পরিষেবার মান আরও উন্নত হবে।
হিন্দুস্থান সমাচার / স্নিগ্ধা দাস