তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি নেতা গোঘাটের
হুগলি , ২২জুন (হি.স.): বাংলায় দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের পতন ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। দুর্নীতি, তোলাবাজি ও প্রশাসনিক অরাজকতার বিরুদ্ধে মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছিল। ক্ষমতায় এসেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জ
গ্রেপ্তার বিজেপি নেতা


হুগলি , ২২জুন (হি.স.): বাংলায় দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের পতন ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। দুর্নীতি, তোলাবাজি ও প্রশাসনিক অরাজকতার বিরুদ্ধে মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছিল। ক্ষমতায় এসেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জিরো টলারেন্স নীতির কথা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, কোনও অন্যায়, অনিয়ম বা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না এবং দল-মত নির্বিশেষে আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।

সেই ঘোষণারই বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেল হুগলির গোঘাট এলাকায়। বদনগঞ্জ ফুলুই-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের হাটতলা এলাকা থেকে বিজেপি নেতা সৌমেন পালকে গ্রেফতার করেছে গোঘাট প্রশাসন। সোমবার তাকে আরামবাগ মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, মারধর এবং একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, বালি বোঝাই গাড়ি থেকে বেআইনিভাবে টাকা তোলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকার কিছু বিজেপি কর্মী প্রতিবাদে সরব হন। অভিযোগ, এরপরই তাঁদের ওপর চড়াও হন সৌমেন পাল ও তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন। বেধড়ক মারধরে একাধিক ব্যক্তি আহত হন। আহতদের কামারপুকুর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হয় বলেও জানা গেছে।

এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিরোধী থাকাকালীন যেসব তোলাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিজেপি সরব ছিল, ক্ষমতায় আসার পর সেই একই ধরনের অভিযোগ দলের এক নেতার বিরুদ্ধে ওঠায় সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

তবে প্রশাসনের এই পদক্ষেপে একটি স্পষ্ট বার্তা উঠে এসেছে—সরকারের ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতি কেবল বক্তৃতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন ভঙ্গকারীর রাজনৈতিক পরিচয় নয়, আইনের চোখে তাঁর অপরাধই হবে বিচার্যের বিষয়। এখন নজর তদন্তের দিকে। অভিযোগের সত্যতা কতটা প্রমাণিত হয় এবং এই ঘটনায় আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে গোঘাট প্রশাসন।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande