মণিপুরের পাহাড়ি জেলাগুলিতে মোতায়েন কোবরা সহ অতিরিক্ত বাহিনী, চলছে নিরস্ত্রীকরণ অভিযান : গৃহমন্ত্রী কোন্থৌজাম
ইমফল, ২৩ জুন (হি.স.) : রাজ্যের পাহাড়ি জেলাগুলিতে অশান্তি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর (সিআরপিএফ) বিশেষ কমান্ডো ব্যাটালিয়ন ফর রেজোলিউট অ্যাকশন (কোবরা) সহ অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে নিরস্ত্রীক
মণিপুরের গৃহমন্ত্রী গোবিন্দাস কোন্থৌজাম (ফাইল ফটো)


ইমফল, ২৩ জুন (হি.স.) : রাজ্যের পাহাড়ি জেলাগুলিতে অশান্তি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর (সিআরপিএফ) বিশেষ কমান্ডো ব্যাটালিয়ন ফর রেজোলিউট অ্যাকশন (কোবরা) সহ অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে নিরস্ত্রীকরণ অভিযানও, জানিয়েছেন গৃহমন্ত্রী গোবিন্দাস কোন্থৌজাম।

আজ মঙ্গলবার ইমফলে এক অনুষ্ঠানে এসেছিলেন রাজ্যের গৃহমন্ত্রী গোবিন্দাস। এখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কোন্থৌজাম বলেন, উপত্যকা অঞ্চলের জেলাগুলিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে শান্ত হয়েছে। ফলে নিরাপত্তা বাহিনী এখন পাহাড়ি এলাকাগুলিতে তাদের অভিযান আরও জোরদার করতে পারছে।

তিনি বলেন, ‘উপত্যকা অঞ্চলে ছোটখাটো ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বর্তমানে পাহাড়ি এলাকাগুলিতেই বেশি অশান্তি চলছে। তাই উপত্যকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাতে হবে, যাতে নিরাপত্তা বাহিনী পাহাড়ি এলাকায় আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।’

মন্ত্রী জানান, মণিপুরের প্রায় ৯০ শতাংশ ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে বিদ্যমান পাহাড়ি জেলাগুলিতে সাম্প্রতিক মাসগুলিতে বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, উপত্যকা এলাকায় অশান্তি কম থাকায় পাহাড়ি অঞ্চলে দুষ্কৃতীদের ধরতে সদ্য আগত সিআরপিএফ-এর কোবরা ইউনিটও সহ আরও বেশি নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে গৃহমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা রাজ্যের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি অস্ত্র লুটের এক মামলায় জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)-র হাতে আরামবাই তেংগোলের তিন সদস্য গ্রেফতার প্রসঙ্গেও তিনি মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘আরামবাই তেংগোলেকে গ্রেফতারির বিষয় নিয়ে আমরা ডিজিপির সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমরা আলোচনা করেছি, যাতে আর কোনও গ্রেফতার না হয়।’

তবে মন্ত্ৰী কোন্থৌজাম স্বীকার করেন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী এখনও অবৈধ অস্ত্র, বিশেষত উপত্যকা অঞ্চলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে রয়েছে। তিনি অবৈধ অস্ত্রধারীদের স্বেচ্ছায় সেগুলি কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা অনুরোধ করছি, এই অস্ত্রগুলি নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হোক, যাতে এনআইএ, সিবিআই বা রাজ্য পুলিশের মাধ্যমে আর কোনও গ্রেফতারির প্রয়োজন না হয়।’ মন্ত্রী জানান, রাজ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande