জঙ্গলমহলের রাজনীতিতে মহাশিস মাহাতোকে ঘিরে জোর চর্চা, তুঙ্গে জল্পনা
ঝাড়গ্রাম, ২৩ জুন (হি.স.): জঙ্গলমহলের রাজনীতিতে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে মহাশিস মাহাতোকে ঘিরে। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা নতুন সাংগঠনিক সমীকরণে ঝাড়গ্রাম জেলার গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে উঠে আসতে পারেন তিনি।
জঙ্গলমহলের রাজনীতিতে মহাশিস মাহাতোকে ঘিরে জোর চর্চা, তুঙ্গে জল্পনা


ঝাড়গ্রাম, ২৩ জুন (হি.স.): জঙ্গলমহলের রাজনীতিতে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে মহাশিস মাহাতোকে ঘিরে। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা নতুন সাংগঠনিক সমীকরণে ঝাড়গ্রাম জেলার গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে উঠে আসতে পারেন তিনি। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি; তবে মহাশিস নিজেই সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।

রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, একসময় সিপিএমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মহাশিস মাহাতো। সেই সময় থেকেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। পরবর্তীতে তিনি তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি -তে যোগ দেন এবং ঋতব্রত রাজ্য সভাপতির দায়িত্বে থাকাকালীন তাঁর উদ্যোগেই মহাশিস ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতির দায়িত্ব পান বলে সংগঠনের একাংশের দাবি। দীর্ঘ সময় তিনি ওই পদে সফলভাবে দায়িত্বও সামলেছেন।

সম্প্রতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণার পর থেকেই ঝাড়গ্রামের রাজনৈতিক মহলে মহাশিসের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের ধারণা, জেলার সংগঠন শক্তিশালী করতে তাঁকেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে মহাশিস মাহাতো বলেন, “ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আগে যেমন ছিল, এখনও তেমনই আছে। এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে ফোনে কথাবার্তাও হয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিইনি। আমি যেখানে ছিলাম, সেখানেই আছি।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মহাশিসের এই মন্তব্যে জল্পনা থামার বদলে আরও বেড়েছে। কারণ তিনি ঋতব্রতের সঙ্গে যোগাযোগের কথা স্বীকার করলেও নিজের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেননি। ফলে আগামী দিনে জঙ্গলমহলের রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা কী হবে, সেদিকেই এখন কড়া নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande