কোচিন বন্দরের উচ্চ-নিরাপত্তা এলাকায় উধাও প্রায় আধ কিলোমিটার রেললাইন
কোচি, ২৪ জুন (হি.স.) : কেরলমের কোচিন বন্দরের উচ্চ-নিরাপত্তা এলাকায় প্রায় আধ কিলোমিটার রেললাইন রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, লোহার রেললাইন কেটে বেআইনিভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বুধবার বন্দর সূত্
কোচিন বন্দরের উচ্চ-নিরাপত্তা এলাকায় উধাও প্রায় আধ কিলোমিটার রেললাইন


কোচি, ২৪ জুন (হি.স.) : কেরলমের কোচিন বন্দরের উচ্চ-নিরাপত্তা এলাকায় প্রায় আধ কিলোমিটার রেললাইন রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, লোহার রেললাইন কেটে বেআইনিভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার বন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, উইলিংডন দ্বীপের কোচিন পোর্ট এলাকার কিউ-৯ বার্থ থেকে টাটা টেটলি ইউনিট পর্যন্ত পুরনো রেললাইনের একটি বড় অংশ নিখোঁজ। ভাল্লারপাডমে পণ্যবাহী পরিষেবা স্থানান্তরের পর দীর্ঘদিন ধরে এই লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে এলাকাটি আগাছায় ঢেকে যায়।

জানা গিয়েছে, একসময় এই রেলপথ দিয়ে ভেল্লুরের হিন্দুস্তান নিউজপ্রিন্ট লিমিটেড (এইচএনএল)-এ কয়লা পরিবহণ করা হত। কোচিন পোর্ট অথরিটির মালিকানাধীন এই রেল পরিকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও তাদেরই ছিল।

ঘটনাটি আরও উদ্বেগের কারণ, কারণ সংশ্লিষ্ট এলাকা কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী (সিআইএসএফ)-সহ একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার কড়া নজরদারিতে থাকে এবং সেখানে প্রবেশও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। তদন্তকারীদের অনুমান, বিপুল পরিমাণ লোহার রেললাইন পরিকল্পিতভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ হতে পারে।

ঘটনাস্থলে রেললাইনের কংক্রিট স্লিপার ও স্ল্যাব ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকলেও অধিকাংশ ইস্পাতের রেললাইন নিখোঁজ। গেট-নিয়ন্ত্রিত এই এলাকায় বাইরের কারও অনুপ্রবেশ সহজ নয়, ফলে কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ রেললাইন সরানো হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

কোচিন পোর্ট অথরিটি ঘটনার অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রেল কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা বা প্রশাসনিক গাফিলতি ছাড়া এত বড় পরিমাণ রেললাইন সরিয়ে নেওয়া আদৌ সম্ভব ছিল কি না।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande