ট্রাক থেকে ডিজেল চুরি, পুলিশের এনকাউন্টারে গুলিবিদ্ধ এক অভিযুক্ত
মাউ, ২৫ জুন (হি.স.) : ডিজেল চোরদের সঙ্গে পুলিশের এনকাউন্টার হয় উত্তর প্রদেশের মাউ জেলায়। দোহারিঘাট থানা এলাকার কুসুমা গ্রামের কাছে এই ঘটনা ঘটে। চক্রটির গতিবিধির খবর পেয়ে তিনটি থানার যৌথ পুলিশ দল এলাকায় ঘেরাও অভিযান চালায়। নিজেদের ঘিরে ফেলা হয়ে
ট্রাক থেকে ডিজেল চুরি, পুলিশের এনকাউন্টারে গুলিবিদ্ধ অভিযুক্ত


মাউ, ২৫ জুন (হি.স.) : ডিজেল চোরদের সঙ্গে পুলিশের এনকাউন্টার হয় উত্তর প্রদেশের মাউ জেলায়। দোহারিঘাট থানা এলাকার কুসুমা গ্রামের কাছে এই ঘটনা ঘটে। চক্রটির গতিবিধির খবর পেয়ে তিনটি থানার যৌথ পুলিশ দল এলাকায় ঘেরাও অভিযান চালায়। নিজেদের ঘিরে ফেলা হয়েছে বুঝতে পেরে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের গুলির লড়াই শুরু হয়। ঘটনায় এক অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছে এবং তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এনকাউন্টারের সময় গোরক্ষপুর জেলার চৌরি চৌরা থানার শত্রুঘ্নপুর গ্রামের বাসিন্দা উপেন্দ্র রাজভর গুলিবিদ্ধ হন। তাঁর পায়ে গুলি লাগে। আহত অবস্থায় তাঁকে গ্রেফতার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে একটি পয়েন্ট ৩১৫ বোরের দেশি আগ্নেয়াস্ত্র, একটি খালি কার্তুজ এবং একটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে গোরক্ষপুরের চৌরি চৌরা এলাকার ভোপা বাজারের বাসিন্দা ত্রিপেশ দুবেকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে একটি ১২ বোরের কাট্টা, একটি অব্যবহৃত কার্তুজ এবং একটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহষ্পতিবার পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, চক্রটি মহাসড়কের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকগুলির ট্যাঙ্ক থেকে ডিজেল চুরি করে অবৈধভাবে বিক্রি করত। তদন্তে রাজকুমারের ছেলে ধীরাজ এবং নীতেশ ওরফে বাবুলাল পাসওয়ানের নামও সামনে এসেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রটির নেটওয়ার্ক এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। এদিকে, ঘোসি থানার সার্কেলের সিও জিতেন্দ্র কুমার সিং জানিয়েছেন, এই মামলায় আজু, আদিত্য জয়সওয়াল এবং কৃষ্ণ গৌন্ডকে পলাতক ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ধৃতদের অপরাধমূলক অতীতও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের দাবি, চক্রের সব সদস্যকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে। এর ফলে ট্রাকচালক এবং পরিবহণ ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে পুলিশ।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সুনন্দা দাস




 

 rajesh pande