শিক্ষা ব্যবস্থা আইসিইউ-তে, কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে কলকাতায় কংগ্রেসের আন্দোলনের সূচনা
কলকাতা, ২৫ জুন (হি.স.): ইন্ডিয়াজ এডুকেশন সিস্টেম ইজ ইন দ্য আইসিইউ — অর্থাৎ ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে মুমূর্ষু অবস্থায় রয়েছে। এককথায়, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার হালহকিকত এই মুহূর্তে অত্যন্ত বেহাল। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা ব্যবস্থার ব
প্রেস ক্লাব, কলকাতায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে


কলকাতা, ২৫ জুন (হি.স.): ইন্ডিয়াজ এডুকেশন সিস্টেম ইজ ইন দ্য আইসিইউ — অর্থাৎ ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে মুমূর্ষু অবস্থায় রয়েছে। এককথায়, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার হালহকিকত এই মুহূর্তে অত্যন্ত বেহাল। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধীর নির্দেশেই এখন সমস্ত রাজ্যে প্রচার অভিযান চালানো হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতায় এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় এবং এখান থেকেই দেশব্যাপী এই বৃহত্তর আন্দোলনের সূচনা হলো।

আগামী ৪০ দিন ধরে কংগ্রেস এই আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। প্রথম পর্যায়ে দিল্লি চলো অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, চলতি মাসের ৩০ জুনের মধ্যে দেশের ২৮টি শহরে একযোগে প্রচারপত্র বিলি, পড়ুয়াদের কাছে সশরীরে পৌঁছানো এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে পথসভার আয়োজন করা হবে। এরপর আগামী জুলাই মাস জুড়ে চলবে সাপ্তাহিক কর্মসূচি, যার মধ্যে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্যাম্পাসে হাজিরা’ এবং ‘আম্বেদকর ডায়লগ’ কর্মসূচি বজায় থাকবে। আগামী ১ আগস্ট ২৮টি শহরে একযোগে ঘেরাও কর্মসূচি চালানো হবে।

সর্বশেষ কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৯ আগস্ট। এই আন্দোলন প্রসঙ্গে কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তারিত জানান এআইসিসি -র সোশ্যাল মিডিয়া সেলের চেয়ারপার্সন তথা কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনাটে। কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধেও সরব হন তিনি।

সুপ্রিয়া শ্রীনাটে অভিযোগ করে বলেন, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে 'ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি' (NTA) এই মুহূর্তে 'ন্যাশনাল টর্চার এজেন্সি'-তে পরিণত হয়েছে। সেইসঙ্গে তিনি কলকাতা প্রেস ক্লাবে একান্তে জানান, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। এই কর্মসূচির পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে — ছাত্র কি গুঞ্জ। দেশজুড়ে পড়ুয়াদের সুবিধার্থে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বরও (৯৮৭৩০৩৬১৬১) চালু করা হয়েছে। যে কোনও সমস্যার কথা এই টেলিফোন নম্বরে জানানো যাবে। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে সুপ্রিয়া শ্রীনাটে ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মিতা চক্রবর্তী, শুভঙ্কর সরকার, আশুতোষ চ্যাটার্জি প্রমুখ।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande