শ্রাবণী মেলাকে জাতীয় উৎসব ঘোষণা করাই মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ তারকেশ্বর বিধায়কের
তারকেশ্বর , ২৫ জুন (হি.স.) ঐতিহ্যবাহী শৈব তীর্থ তারকেশ্বরে এক মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত হওয়া শ্রাবণী মেলাকে বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে ‘জাতীয় উৎসব’ হিসেবে আখ্যায়িত করায় মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলেন তারকেশ্বরের বিধায়ক সন্তু পান। একইসঙ্গে তিনি প
মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ তারকেশ্বর বিধায়কের


তারকেশ্বর , ২৫ জুন (হি.স.)

ঐতিহ্যবাহী শৈব তীর্থ তারকেশ্বরে এক মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত হওয়া শ্রাবণী মেলাকে বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে ‘জাতীয় উৎসব’ হিসেবে আখ্যায়িত করায় মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলেন তারকেশ্বরের বিধায়ক সন্তু পান। একইসঙ্গে তিনি পূর্বতন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তারকেশ্বর মন্দিরের উন্নয়ন কমিটি নিয়ে তীব্র সমালোচনাও করেন।

বিধায়ক এদিন বিধানসভার অধিবেশনে বলেন, তারকেশ্বরের শ্রাবণী মেলা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং কোটি কোটি সনাতনী ভক্তের আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। প্রতি বছর শ্রাবণ মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী বাবা তারকনাথের দর্শন ও জলাভিষেক করতে তারকেশ্বরে আসেন। বিধানসভায় এই মেলাকে ‘জাতীয় উৎসব’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় তিনি মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তবে এই প্রসঙ্গেই তিনি পূর্বতন তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করে দাবি করেন, তারকেশ্বর শিব মন্দিরের উন্নয়ন কমিটিতে ফিরহাদ হাকিম-কে অন্তর্ভুক্ত করে তৎকালীন সরকার সনাতনী ভাবাবেগে আঘাত করেছিল। তাঁর বক্তব্য, তারকেশ্বরের মতো একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শৈব তীর্থের পরিচালনা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সনাতনী সমাজের আবেগ এবং ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি আরও সংবেদনশীল হওয়া প্রয়োজন ছিল।

সন্তু পান দাবি করেন, বর্তমান সরকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে এবং তারকেশ্বরকে দেশের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শ্রাবণী মেলার মর্যাদা বৃদ্ধি এবং ভক্তদের সুবিধার্থে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজও চলছে বলে তিনি জানান।

বিধায়কের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে শ্রাবণী মেলাকে জাতীয় উৎসব হিসেবে উল্লেখ করাকে তারকেশ্বরবাসী ও ভক্তদের একাংশ স্বাগত জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, তারকেশ্বরের শ্রাবণী মেলা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহত্তম ধর্মীয় সমাবেশ। প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগমে মুখরিত হয়ে ওঠে তারকেশ্বর। সেই প্রেক্ষাপটে মেলার গুরুত্ব নিয়ে বিধানসভায় আলোচনা এবং তাকে জাতীয় উৎসব হিসেবে আখ্যায়িত করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande