
গুয়াহাটি, ২৭ জুন (হি.স.) : লামডিং রেলওয়ে স্টেশনকে স্থাপত্যশৈলী-ভিত্তিক আলোক সজ্জায় সজ্জিত করেছে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে। এর ফলে স্টেশনটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় দৃশ্যে পরিণত হয়েছে। রাতের দৃশ্যমানতা ও পরিবেশও আরও মনোরম হয়ে উঠেছে। এই প্রকল্পে প্রোগ্রামযোগ্য আলোকসজ্জা প্রভাব সহ বিদ্যুৎসাশ্রয়ী আরজিবি এলইডি ফ্যাসাড লাইটিং ফিক্সচার স্থাপন রয়েছে, যা স্টেশনের সম্মুখভাগ, গম্বুজ, স্তম্ভ এবং অন্যান্য স্থাপত্যিক উচ্চতাকে সুষমভাবে আলোকিত করে। সবধরনের আবহাওয়ায় নির্ভরযোগ্য কাজকর্ম নিশ্চিত করতে আবহাওয়ারোধী আউটডোর ফিটিং ও ক্যাবলিঙের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
আজ শনিবার উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানান, নতুন করে স্থাপিত আলোকসজ্জা ব্যবস্থাটি কেবল স্টেশনের নান্দনিক সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করেনি, দীর্ঘস্থায়ী এলইডি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্থিতিশীল ও পরিবেশবান্ধব পরিকাঠামোকেও উৎসাহিত করেছে। এতে দক্ষ আলোক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তাও হ্রাস পাবে বলে আশা করছেন উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে কৰ্তৃপক্ষহচ্ছে। তিনি বলেন, সুন্দর ও আলোকোজ্জ্বল রূপের পাশাপাশি লামডিং জংশন উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের এক বিশিষ্ট ল্যান্ডমার্ক হয়ে উঠেছে। এটি বিশ্বমানের পরিকাঠামো প্রদান এবং যাত্রীদের সামগ্রিক অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে।
স্থাপত্যশৈলী-ভিত্তিক সম্মুখভাগের আলোকসজ্জা প্রকল্প, উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার একটি অংশ। এর লক্ষ্য, সুবিধা ও নান্দনিকতার মধ্যে নিখুঁত ভারসাম্য প্রদান করা, যাতে এমন রেলস্টেশন নির্মাণ করা যায় যা আধুনিক, দীর্ঘস্থায়ী এবং দেখতে আকর্ষণীয় হয়। আলোকিত স্টেশনটি লামডিং জংশনকে এক স্বতন্ত্র পরিচিতি প্রদান করেছে, যা পরিবেশ-বান্ধব ও যাত্রী-কেন্দ্রিক পরিকাঠামোকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি যাত্রীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতাকেও সমৃদ্ধ করেছে। এ ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে সমগ্র অঞ্চলে বিশ্বমানের রেলপরিষেবা গড়ে তুলতে এবং যাত্রী সুযোগ-সুবিধা উন্নত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, বলেন এনএফ রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা।
হিন্দুস্থান সমাচার / স্নিগ্ধা দাস