(আপডেট) সমাজ সংস্কারকদের মহান ঐতিহ্যকে সম্মান জানানো প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য : উপরাষ্ট্রপতি
নয়াদিল্লি, ১২ জুলাই (হি.স.): উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন রবিবার বলেছেন, দেশের সমাজ সংস্কারকদের মহান ঐতিহ্যকে সম্মান জানানো ও সমুন্নত রাখা প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য। নতুন দিল্লির দ্বারকায় অবস্থিত ‘মান্নাম ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার’-এ সমাজ সংস্কারক ও স
উপরাষ্ট্রপতি


নয়াদিল্লি, ১২ জুলাই (হি.স.): উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন রবিবার বলেছেন, দেশের সমাজ সংস্কারকদের মহান ঐতিহ্যকে সম্মান জানানো ও সমুন্নত রাখা প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য। নতুন দিল্লির দ্বারকায় অবস্থিত ‘মান্নাম ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার’-এ সমাজ সংস্কারক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী মান্নাতু পদ্মনাভনের মূর্তির আবরণ উন্মোচন এবং ‘মান্নাম স্মৃতি মণ্ডপম’-এর উদ্বোধনের পর তিনি এ কথা বলেন। সমবেত মানুষজনের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় উপরাষ্ট্রপতি সামাজিক ন্যায়বিচার, সাম্য, শিক্ষা এবং সমাজসেবার প্রতি মান্নাতু পদ্মনাভনের আজীবন নিষ্ঠার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গঠনের পথে দেশের যাত্রায় মান্নাতু পদ্মনাভনের আদর্শ আজও অনুপ্রেরণা জোগায়।

মান্নাতু পদ্মনাভনকে আধুনিক ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সমাজ সংস্কারক হিসেবে অভিহিত করে উপরাষ্ট্রপতি রাধাকৃষ্ণন বলেন, শিক্ষা, সমাজ সংস্কার, আত্মনির্ভরশীলতা ও সমাজসেবার মাধ্যমে সমাজের উন্নয়নে তাঁর জীবন উৎসর্গীকৃত ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, এমন এক সময়ে যখন সমাজ সংস্কারের ধারণাটি খুব একটা পরিচিত ছিল না এবং অনেকেই সহায়-সম্বলহীন অবস্থায় কষ্টে দিন কাটাচ্ছিলেন, তখন মান্নাতু পদ্মনাভন সমাজের সেবায় এগিয়ে এসেছিলেন। উপরাষ্ট্রপতি আরও বলেন, জাতীয় আন্দোলনের সঙ্গে মান্নাতু পদ্মনাভনের সম্পৃক্ততা এই আদর্শগুলোর প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতাকেই আরও স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে। তিনি উল্লেখ করেন, মহাত্মা গান্ধীর পাশাপাশি মান্নাতু পদ্মনাভনও সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এছাড়া, ভারতের সমাজ সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম এক যুগান্তকারী অধ্যায় হিসেবে ঐতিহাসিক ‘ভাইকম সত্যাগ্রহ’-এ তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণের কথাও উপরাষ্ট্রপতি রাধাকৃষ্ণন বিশেষভাবে তুলে ধরেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande