প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ সফরকে ঐতিহাসিক বর্ণনা সম্বিতের
নয়াদিল্লি, ১২ জুলাই (হি.স.): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ সফরকে ঐতিহাসিক বর্ণনা করলেন বিজেপি নেতা তথা সাংসদ সম্বিত পাত্র। রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপি সাংসদ সম্বিত পাত্র বলেছেন, এই মাসের ১ থেকে ৩ তারিখ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী সেশেলস সফর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ সফরকে ঐতিহাসিক বর্ণনা সম্বিতের


নয়াদিল্লি, ১২ জুলাই (হি.স.): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ সফরকে ঐতিহাসিক বর্ণনা করলেন বিজেপি নেতা তথা সাংসদ সম্বিত পাত্র। রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপি সাংসদ সম্বিত পাত্র বলেছেন, এই মাসের ১ থেকে ৩ তারিখ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী সেশেলস সফর করেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, 'সেশেলস সফরে কী লাভ হবে?' এরপর ৬ তারিখে তাঁর পরবর্তী সফর শুরু হয় এবং তিনি ইন্দোনেশিয়া যান। ভারতে এমন কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আছেন যাঁরা কেবল একপেশে বা বিশুদ্ধ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন। আমাদের কিন্তু ত্রিমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে; বিভিন্ন দেশের অবস্থান এবং তাদের সফরের মাধ্যমে কী কী সুবিধা পাওয়া যেতে পারে—তা বোঝার জন্য আমাদের সব দিক থেকে বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। সেশেলস ভারত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত, আর ইন্দোনেশিয়া রয়েছে এর পূর্ব প্রান্তে। সুতরাং, ভারত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্ত থেকে পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত এই সফরটি ছিল একটি কৌশলগত জোট গঠনের প্রয়াস। একদিকে সেশেলস আর অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়া—ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমাদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় এই দুই প্রান্তকেই কাজে লাগাতে সফল হয়েছেন। 'ইন্দো-প্যাসিফিক' বা ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিষয়টি হয়তো সবার কাছে তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নাও হতে পারে। প্রথমেই লক্ষ্য করুন, জাপানের শীর্ষ নেতা আমাদের দেশ সফর করেছেন। এরপর দেখা যায়, ইন্দোনেশিয়ার পর প্রধানমন্ত্রী প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল হয়ে অস্ট্রেলিয়া এবং তারপর নিউজিল্যান্ড সফর করেন। অর্থাৎ, বিন্যাসটি লক্ষ্য করুন: একদিকে জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড; আর অন্যদিকে সেশেলস ও ইন্দোনেশিয়া। এই সফরগুলো এবং এর ফলে যে মতবিনিময় হয়েছে, তার মাধ্যমে ইন্দো-প্যাসিফিক ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে এক বিশাল সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছে—এমন এক সেতু যা কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও আদর্শিক ক্ষেত্রকে যেমন স্পর্শ করেছে, তেমনই জনকেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানকেও ত্বরান্বিত করেছে।

বিজেপি সাংসদ সম্বিত পাত্র বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তিনটি দেশ—ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড—সফর করেছেন। এর আগে তিনি সেশেলসও সফর করেছিলেন। এই সময়ের মধ্যেই জাপানের রাষ্ট্রপ্রধান ভারত সফর করেন। এর সামগ্রিক ফলাফল কী হলো? ভারত কী পেল? আমি সহজ ভাষায় দশটি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলের কথা তুলে ধরব—'দশ কদম, দশ কা দম'। আসুন, প্রথমে সেই দশটি ধাপ বা বিষয়ের তালিকা দেখে নেওয়া যাক—১. ভারত মহাসাগর ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত জোট। ২. প্রতিরক্ষা ও সামুদ্রিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা। ৩.গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ সংক্রান্ত সহযোগিতা। ৪. জ্বালানি নিরাপত্তা। ৫. অর্থনীতি ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত ফলাফল। ৬. প্রধানমন্ত্রীকে প্রদর্শিত বিশেষ সম্মান ও সৌজন্য। ৭. সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিষয়ক অংশীদারিত্ব। ৮. ডিজিটাল গণ-অবকাঠামো এবং শিক্ষা বিষয়ক অংশীদারিত্ব। ৯. খেলাধুলো। ১০. জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande