
কলকাতা, ১৫ জুলাই (হি. স. ) : স্ত্রী, দুই পুত্রর বিপুল অবৈধ লেনদেনের প্রমাণ পেয়ে তাঁদের সমন করেছিল ইডি। সঙ্গে সঙ্গে ‘ভালো তৃণমূল’ হয়ে গেলেন সবার মদনদা।
ফের ভাঙন কালীঘাট তৃণমূলে।
এ বার কালীঘাট তৃণমূল ছাড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন বলে পরিচিত মদন মিত্র। কালীঘাট তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকেও ইস্তফা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। বুধবার দুপুরে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে যান কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক।
চোখে কালো রোদচশমা, সাদা পাঞ্জাবি পরে ঋতব্রতের পাশেই বসে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। ঋতব্রতের ঘরে বসেই কালীঘাট তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানান তিনি।
ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়ে মদন বলেন, “তৃণমূলে ছিলাম, তৃণমূলেই আছি। কেবল এই ঘর থেকে ওই ঘরে গেলাম। ওই ঘরে হয়তো একটা সুখের পালঙ্ক ছিল। এই ঘরে হয়তো একটা খাটিয়া রয়েছে। আমি খাটিয়ার দিকটাই বেছে নিলাম।”
শিবির বদলের পর তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। মদন বলেন, “দীর্ঘ দিন তিনি (মমতা) আমাদের পাশে থেকেছেন। আমরাও চেষ্টা করেছি কমবেশি করার।”
এই বিষয়ে নেটনাগরিকরা কটুক্তি করেছেন, এর নাম রাজনীতি। রাজনীতি যে পরিমাণ বিনোদন দিতে পারে, আর কোনও ক্ষেত্র/পেশা তা দিতে পারবে কি?
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত