বাংলাদেশ সীমান্তের ৮৬ শতাংশ এলাকায় সম্পন্ন বেড়া নির্মাণ, বাকি ৩৯ কিলোমিটার, বিধানসভায় মন্ত্রী অতুল
গুয়াহাটি, ১৫ জুলাই (হি.স.) : অসমের বাংলাদেশ-সংলগ্ন ২৬৭.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তের প্রায় ১৪ শতাংশ অংশে এখনও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হয়নি, আজ বিধানসভায় জানিয়েছেন রাজ্যের সীমান্ত সুরক্ষা ও উন্নয়নমন্ত্রী অতুল বরা। কংগ্রেস বিধায়ক
বিধানসভায় মন্ত্রী অতুল বরা


গুয়াহাটি, ১৫ জুলাই (হি.স.) : অসমের বাংলাদেশ-সংলগ্ন ২৬৭.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তের প্রায় ১৪ শতাংশ অংশে এখনও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হয়নি, আজ বিধানসভায় জানিয়েছেন রাজ্যের সীমান্ত সুরক্ষা ও উন্নয়নমন্ত্রী অতুল বরা।

কংগ্রেস বিধায়ক জাকির হুসেন সিকদারের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী অতুল বলেন, সীমান্তের ২২৮.৫৪১ কিলোমিটার অংশে ইতিমধ্যেই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এখনও ৩৮.৯৫৯ কিলোমিটার অংশ বেড়াবিহীন রয়েছে।

সার্ভে অব ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ধুবড়ি, দক্ষিণ শালমারা-মানকাচর, কাছাড় এবং শ্রীভূমি জেলার সঙ্গে বাংলাদেশের মোট ২৬৭.৫ কিলোমিটার আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। অতুল বরা জানান, আন্তর্জাতিক সীমান্তে বেড়া নির্মাণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের। এখনও যে ৩৮.৯৫৯ কিলোমিটার অংশে বেড়া নির্মাণ করা হয়নি, তার মধ্যে ৩৪.৬০৯ কিলোমিটার নদীবেষ্টিত এলাকা। এছাড়া শ্রীভূমি জেলার কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী ৪.৩৫ কিলোমিটার অংশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর আপত্তির কারণে বেড়া নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না।

মন্ত্রী বরা আরও জানান, নদীবেষ্টিত সীমান্ত এলাকাগুলিতে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ) নৌ-পেট্রোলিং এবং কমপ্রিহেনসিভ ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিআইবিএমএস)-এর মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।

সীমান্ত এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্ডার এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-এর পরিবর্তে বর্তমানে ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম-২-এর অধীনে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া আন্তঃরাজ্য সীমান্তবর্তী এলাকায় বর্ডার ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্টিভিটিজ, বর্ডার আউটপোস্ট এবং বর্ডার আউটরিচ প্রোগ্রাম-এর মাধ্যমে পরিকাঠামো উন্নয়ন সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে, জানান মন্ত্রী অতুল বরা।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande