নবগঠিত বোর্ডের দায়িত্ব গ্রহণ পর্যন্ত পুরসভায় অভিযোগ নিবারণে নোডাল অফিসার নিয়োগের নির্দেশ : অগ্নিমিত্রা পাল
কলকাতা, ২৮ জুলাই (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নগর উন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দফতর রাজ্যের বিভিন্ন পুরনিগম ও পুরসভায় নাগরিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য প্রতিটি সংস্থায় একজন করে নোডাল অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নির্বাচিত পুর বোর্ড দায়িত্ব গ্
অগ্নিমিত্রা পাল


কলকাতা, ২৮ জুলাই (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নগর উন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দফতর রাজ্যের বিভিন্ন পুরনিগম ও পুরসভায় নাগরিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য প্রতিটি সংস্থায় একজন করে নোডাল অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নির্বাচিত পুর বোর্ড দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত এই ব্যবস্থা চালু থাকবে।

মঙ্গলবার নগর উন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দফতরের ' মুখোমুখি' কর্মসূচিতে দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, প্রতিটি পুরনিগম ও পুরসভায় একটি করে অভিযোগ নিবারণ (গ্রিভ্যান্স) সেল গঠন করা হবে, যার দায়িত্বে থাকবেন একজন নোডাল অফিসার। এই সেল প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

মন্ত্রী বলেন, কেবল 'মুখোমুখি' কর্মসূচির আয়োজন করাই যথেষ্ট নয়। মানুষের সমস্যা শোনার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেগুলির সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।

দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই পুরো ব্যবস্থার সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নগর উন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দফতরের আধিকারিক শান্তনু নাহাকে। তিনি বিভিন্ন পুরনিগম ও পুরসভায় নিযুক্ত নোডাল অফিসারদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নাগরিক অভিযোগ চিহ্নিত করবেন এবং দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন।

উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়েছে। বিজেপি সরকার গঠিত হওয়ার পর কলকাতা, বিধাননগর সহ একাধিক পুরনিগমের তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচিত মেয়ররা পদত্যাগ করেন, ফলে বহু পুরসভা ও পুরনিগমের নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে যায়। অন্যদিকে, কিছু পুরসভায় বোর্ড বহাল থাকলেও তৃণমূলের একাধিক কাউন্সিলর নিয়মিত কার্যালয়ে না আসায় ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছিল।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আগামী বছরের শুরুর দিকে রাজ্যের ১০০টিরও বেশি পুরসভার নির্বাচন করার প্রস্তাব রয়েছে। নতুন নির্বাচিত বোর্ড দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত পুরসভাগুলির প্রশাসনিক কাজ মূলত রাজ্য সরকারের হাতেই থাকবে। এই মধ্যবর্তী সময়ে যাতে নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত না হয় এবং সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, সেই উদ্দেশ্যেই এই নতুন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande